দুর্গাপুর: পূর্ব, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া—এই চার জেলার ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পপতিদের সমস্যা শোনা, তার সমাধান করা এবং নতুন শিল্প আনার উদ্দেশ্যে শুক্রবার দুপুর দেড়টায় দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হল বহু প্রতীক্ষিত ‘সিনার্জি সম্মেলন’।
এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন
- ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প দফতরের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা,
- পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় দফতরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার,
- পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডু,
- চার জেলার জেলাশাসক,
- জেলা পরিষদের সভাধিপতি,
- প্রশাসনিক কর্তারা এবং শিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রধানেরা।
💰 চার জেলায় হাজার হাজার কোটি টাকার শিল্প বিনিয়োগ ঘোষণা — শিল্পাঞ্চলে উচ্ছ্বাস
সম্মেলনে শিল্পোন্নয়নের জন্য যে বিপুল বিনিয়োগের ঘোষণা করা হল তা নজিরবিহীন—
📌 পশ্চিম বর্ধমান (আসানসোল–দুর্গাপুর অঞ্চল): ₹৩৫০ কোটি
পানাগড়, অন্ডাল, আসানসোল—এই তিনটি কেন্দ্রকে বড় শিল্প কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। নতুন শিল্পতালুকের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে।
📌 পুরুলিয়া: ₹৯০ কোটি
শালপাতার ক্লাস্টার, হস্তশিল্প, গ্রামীণ কারখানা এবং MSME ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা।
📌 বাঁকুড়া: ₹৪৫৯০ কোটি
জেলার শিল্পায়নের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। খনিজভিত্তিক শিল্প, পাথর শিল্প ও ছোট-মাঝারি উৎপাদনকারী ইউনিট তৈরির রূপরেখা চূড়ান্ত।
📌 পূর্ব বর্ধমান: ₹৫৯০ কোটি
কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট এবং গ্রামীণ ক্ষুদ্র শিল্পকে কেন্দ্র করে নতুন উদ্যোগ।
💼 উদ্যোগপতিদের হাতে ঋণ প্রদান — নতুন স্বপ্ন দেখছে শিল্প মহল
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপতিদের আর্থিক সাহায্য নিশ্চিত করতে এদিন বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তার হাতে সরকারি ঋণ তুলে দেওয়া হয়।
এই উদ্যোগকে শিল্পমহল বলছে—
“বিনিয়োগের রাস্তা খুলে দেওয়া এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির প্রথম ধাপ।”
🌐 শিল্প আনার প্রতিশ্রুতি, কর্মসংস্থানে জোর
মন্ত্রীদের মতে—
- জেলার যুবসমাজকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
- স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে শিল্প গড়ে ওঠায় গ্রামের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
- চার জেলার সমন্বিত শিল্প উন্নয়নেই তৈরি হবে ‘নতুন শিল্পাঞ্চল’।











