ডিয়ার পার্কে ইতিহাস – শিশু উদ্যানের শিলান্যাস করলেন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার

single balaji

দুর্গাপুর :
দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা দুর্গাপুরের ঐতিহ্যবাহী ডিয়ার পার্ক নতুন রূপ পেতে চলেছে। শনিবার আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ADDA)-র উদ্যোগে পুরনো ডিয়ার পার্কের জায়গায় একটি আধুনিক শিশু উদ্যানের শিলান্যাস করা হয়। দুর্গাপুর শহরের শিশু ও পরিবারদের জন্য এটি একটি বড় সুখবর।

১৯৮০-র দশকে তৈরি এই পার্কে একসময় হরিণ, রাজহাঁস ও নানারকম পাখি ছিল। স্কুলপড়ুয়া ও শিশুদের প্রিয় জায়গা ছিল এই পার্ক। তবে ধীরে ধীরে অবহেলার কারণে হরিণের সংখ্যা কমে যায় এবং পার্কটি বন্ধ হয়ে যায়।

নতুন পরিকল্পনায় আধুনিক শিশু উদ্যান তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। শনিবারের অনুষ্ঠানে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার নারকেল ফাটিয়ে এবং শিলালিপি উন্মোচন করে প্রকল্পের শিলান্যাস করেন।

0fd2155f 93a2 4c17 868d 3988ea5db5e9

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ADDA-র চেয়ারম্যান কবি দত্ত, দুর্গাপুর পুরনিগম প্রশাসনিক বোর্ডের চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখার্জি, এসবিএসটিসি-র চেয়ারম্যান সুবাষ মণ্ডল, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এ সি পি সুবীর রায়, কাঁকসা এ সি পি সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি, অফিসার ও ইঞ্জিনিয়াররা।

মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন,
ডিয়ার পার্ক পুনরায় খোলার দাবি বহুবার এসেছে। এবার সেই জায়গাতেই আমরা একটি শিশু উদ্যান তৈরি করছি, যেখানে শিশু ও অভিভাবকরা নির্ভাবনায় সময় কাটাতে পারবেন। বয়স্কদের বসার ব্যবস্থা ও হাঁটার সুবিধাও থাকবে।

ADDA-র চেয়ারম্যান কবি দত্ত জানান, “দুর্গাপুরের উন্নয়নের পথে এটি এক বড় পদক্ষেপ। শিশুদের খেলার সমস্ত আধুনিক সুবিধা এখানে থাকবে।

এই প্রকল্পে বেসরকারি কোম্পানির পরিচালক সুদীপ চট্টোপাধ্যায় ও প্রভাত চট্টোপাধ্যায় CSR-এর আওতায় আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, সমাজের উন্নয়নের জন্য তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত অতিথিদের ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মানিত করা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুর্গাপুরে দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণ হওয়ায় তারা খুশি। পরিবেশপ্রেমীরা প্রস্তাব দিয়েছেন, পার্কে সবুজ এলাকা, শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক কর্নার ও ওপেন-এয়ার ক্লাসরুমের মতো উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রকল্পটি আরও আকর্ষণীয় হবে।

ghanty

Leave a comment