দুর্গাপুর:
এক প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে মবিবিএস ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে জটিল তদন্ত হিসেবে গড়ে উঠেছে। স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকরা বলছেন, ঘটনার একাধিক দৃষ্টিকোণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রতিটি তথ্য-লিঙ্ক আন্তঃসংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। যদিও পুলিশ শুরু থেকেই দাবি করেছে যে এটি গ্যাং রেপ নয়, মূল অভিযুক্ত একেই প্রতিপাদন করা হচ্ছে, এবং বাকিদের দায় নির্ণয় করার পরীক্ষা চলছে।
কিন্তু সোর্স মারফত জানা গেছে, ফরেন্সিক পরীক্ষায় ভিকটিমের কাপড়ে ক্লাসমেট ওয়াসিফ আলির সিমেন স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত অন্যান্য অভিযুক্তদের পোশাকে ফরেন্সিক রিপোর্টগুলি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
রিপোর্ট অনুযায়ী, আসল ঘটনা ছিল এইরকম: ছাত্রীকে প্রথমে তার ক্লাসমেট বাসস্থান থেকে লোভ দেখিয়ে বনভূমি দিকে নেওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর সাথে সহবেবস্থার চেষ্টা করা হয়। অন্যান্য অভিযুক্তরা তখন সেই এলাকায় ছিলেন এবং “সংঘবদ্ধ ধর্ষণ” ঘটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করা হলেও, তারা আচমকা পালিয়ে যায়। তাঁরা ছাত্রীকে মারধর করে তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং টাকা দাবি করে। ছাত্রীকে কিছুক্ষণ ধরে রাখা হয়, যাতে সন্দেহভাজন পুরুষ ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত, ফিরে না আসায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আদালতে অব্যাহত শুনানির মাঝেই অভিযুক্তরা পুলিশকে ডিএনএ ও ফরেন্সিক পরীক্ষার দাবি তুলেছিল। তাদের বক্তব্য, তারা স্বেচ্ছায় সব পরীক্ষায় পৃষ্ঠপোষকতা করতে প্রস্তুত।
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত ছাড়াও প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের অনেক ছাত্র-ছাত্রী রাতে কলেজের পেছনের বনভূমিতে গোপনে মিলিত হন এবং পুরুষ-নারীর অসঙ্গত আচরণ (সহবাস) করে থাকেন। এই তথ্য পুলিশকে আরও গভীরভাবে জালিয়াতি ও যৌন অপরাধের দিকগুলো অনুসন্ধান করতে উদ্বুদ্ধ করছে।
অভিযোগকৃত ছয়জনকেই আদালতে পেশ করা হবে এবং প্রসঙ্গত, “ফরেনসিক পরীক্ষা, ডিএনএ, এবং আইনি প্রক্রিয়া” দ্বারা পুরো ঘটনা পরিষ্কার করা হবে বলে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে।











