দুর্গাপুর কেমিকেলস কারখানার সামনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অস্বাভাবিক উত্তেজনা।
হাতে খালি কলসি, ড্রাম আর বালতি—এই অস্ত্রেই রাস্তায় নামলেন শ্রমিক পরিবারের মহিলারা।
পানীয় জলের দাবিতে ঘণ্টাখানেক ধরে গেট ঘেরাও, তাতে কার্যত অচল হয়ে যায় কারখানা এলাকা।
🔥 ৬ মাস ধরে জল নেই, ২২ দিন পর পরিস্থিতি ভয়ংকর — সহ্যের বাঁধ ভাঙল
রাষ্ট্রায়ত্ত দুর্গাপুর কেমিকেলস ২০১৯-এ বন্ধ হয়ে গেলেও প্রায় ২০০ অস্থায়ী শ্রমিক আজও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করেন।
তাদের পরিবারগুলো ৬ মাস ধরে পানীয় জলের চরম সংকটে ভুগছেন।
গত ২২ দিন ধরে একবিন্দু জল নেই—এমনটাই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।
বাধ্য হয়ে শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থ মানুষদের নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা।
❗ অভিযোগ : “টাকা নিচ্ছে, জল দিচ্ছে না!” — ক্ষোভে ফেটে পড়া মহিলাদের প্রশ্ন
শ্রমিক পরিবারগুলোর অভিযোগ :
- “জলের জন্য কর্তৃপক্ষ টাকা নেয়…”
- “তাহলে জল কোথায়?”
- “আমরা কি মরলে তবে জল দেবে?”
এই অভিযোগে সরগরম হয়ে ওঠে গোটা কারখানা চত্বর।
🚓 খবর পেয়ে পৌঁছল কোকওভেন থানার পুলিশ
মহিলাদের বিক্ষোভ ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকলে
কোকওভেন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন—
“দাবি না মানা পর্যন্ত গেট ছাড়ব না।”
🤝 শেষ পর্যন্ত পুলিশের মধ্যস্থতায় কর্তৃপক্ষের আশ্বাস
প্রায় এক ঘণ্টা বিক্ষোভের পর পুলিশের হস্তক্ষেপে
কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দেয়—
- খুব শীঘ্রই পাইপলাইনের সমস্যা মেরামত করা হবে
- অস্থায়ীভাবে পানীয় জলের সরবরাহ দেওয়া হবে
- স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রযুক্তিগত টিম পাঠানো হচ্ছে
যদিও মহিলাদের বক্তব্য—
“প্রতিশ্রুতি নয়, কলসি ভরার মতো জল চাই।”











