📍 দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান
দুর্গাপুরের গোরু কান্ডে নতুন মোড়! কোকওভেন থানার পুলিশ শনিবার রাতে আরও দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম কিরণ মান (মহানন্দা পল্লী, দুর্গাপুর) ও বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় (নিউ টাউনশিপ থানা এলাকা)। রবিবার তাদের দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় এবং পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়।
📅 কী ঘটেছিল বৃহস্পতিবার?
ঘটনা শুরু হয় গত বৃহস্পতিবার, যখন বিজেপি নেতারা একটি গরু বোঝাই গাড়ি আটকিয়ে প্রতিবাদ জানায়। তাদের দাবি ছিল, ওই গাড়িতে অবৈধভাবে গোরু পাচার করা হচ্ছিল। কিন্তু এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
চাঞ্চল্য ছড়ায়, যখন চারজন যুবককে মারধরের পাশাপাশি কান ধরে উঠবস করানোর ভিডিও ও অভিযোগ সামনে আসে।
📝 তৃণমূল নেতার অভিযোগে তদন্ত শুরু
এই ঘটনার বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী কোকওভেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং শুক্রবার রাতে দুইজন ও শনিবার রাতে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।
🕵️♂️ প্রধান অভিযুক্ত এখনো অধরা
পুলিশ সূত্রে খবর, এখনো মামলার মূল অভিযুক্তরা পলাতক, তবে একাধিক জায়গায় হানা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, “আইন হাতে তুলে নেওয়া চলবে না। দোষীদের কাউকে ছাড়া হবে না।”
🗣️ রাজনীতি তুঙ্গে
বিজেপি নেতাদের দাবি, তারা গো-তস্করদের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানিয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকার তাদের ভয় দেখাতে এই মামলা সাজাচ্ছে।
তৃণমূলের দাবি, বিজেপি আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে, নিরীহ যুবকদের জনসমক্ষে হেনস্থা করছে।
এতে আবারও সামনে এসেছে গোরক্ষা বনাম মানবাধিকার বিতর্ক।
⚖️ কোথায় দাঁড়িয়ে মামলাটি?
- গ্রেফতার: এখন পর্যন্ত ৪ জন
- প্রধান অভিযুক্ত: পলাতক
- অভিযোগ: মারধর, অপমান, বেআইনি জমায়েত
- তদন্ত: চলছে, নজরে আরও কয়েকজন
🔚 উপসংহার
দুর্গাপুরে গোরু ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। বিজেপি ও তৃণমূলের টানাপোড়েনে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এই ঘটনায় মানবাধিকার, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, ও আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্ন আবারও সামনে এসেছে। পুলিশ কত দ্রুত মূল অভিযুক্তদের ধরতে পারে, সেদিকেই এখন নজর গোটা জেলার।











