চিরুলিয়া (জামুড়িয়া): চিরুলিয়া অঞ্চলে অবস্থিত তারা ওপেন কাস্ট মাইন-এর বিরুদ্ধে জয়নগর গ্রামের বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। স্থানীয়রা মাইনিং কার্যকলাপ বন্ধ করে দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন — “যতক্ষণ না দাবি মানা হচ্ছে, আন্দোলন চলবেই।”
🚧 রাস্তা কেটে জনজীবনে নাভিশ্বাস — চলাচল বন্ধের অভিযোগ
গ্রামবাসীদের দাবি, মাইন সম্প্রসারণের কারণে গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা কেটে ফেলা হয়েছে, যার ফলে স্কুল, চিকিৎসা ও নিত্যদিনের যাতায়াতে ভোগান্তি চরমে। এতে প্রবল অসন্তোষ ছড়িয়েছে।
💥 প্রতিদিনের ব্লাস্টিংয়ে ঘরে ফাটল — বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা
প্রতিদিন মাইনে ব্লাস্টিং চলার ফলে বহু বাড়িতে ফাটল ধরেছে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের মতে, “যেকোনো সময় বড়সড় বিপর্যয় ঘটতে পারে। এর দায় প্রশাসন ও মাইন কর্তৃপক্ষের।”
💧⚡ জল নেই, বিদ্যুৎ নেই — দায় নিতে হবে মাইন কর্তৃপক্ষকে
গ্রামের জল সংকট চরমে এবং বিদ্যুৎ পরিষেবাও বারবার বিঘ্নিত হচ্ছে। গ্রামবাসীদের দাবি, “তারা মাইন থেকে কোটি কোটি টাকা আয় হচ্ছে, অথচ এলাকার বুনিয়াদি পরিষেবায় কোনও ভরসা নেই!”
👷♂️ “স্থানীয় যুবকদের আগে চাকরি দিতে হবে” — দাবি তরুণ প্রজন্মের
বিক্ষোভকারীরা আরও জানান, “আমাদের গ্রামে মাইন, অথচ বাইরে থেকে লোক এনে চাকরি! এটা মানা যাবে না। স্থানীয় বেকারদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।”
👮 চিরুলিয়া ফাঁড়ির আশ্বাসে সাময়িক অবরোধ প্রত্যাহার
পরিস্থিতি সামাল দিতে চিরুলিয়া ফাঁড়ির ওসি ঘটনাস্থলে পৌঁছন এবং দুই দিনের মধ্যে বেকার যুবকদের তালিকা তৈরি করে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেন। এরপর গ্রামবাসীরা আপাতত অবরোধ তুলে নেন, তবে হুঁশিয়ারি দেন — “দাবি না মানলে আবার ঘেরাও হবে।”
📢 প্রধান দাবিগুলি:
- ✔️ কাটা রাস্তাটি পুনঃনির্মাণ
- ✔️ স্থানীয় বেকারদের চাকরি
- ✔️ ব্লাস্টিং বন্ধ বা ক্ষতিপূরণ
- ✔️ জল ও বিদ্যুৎ পরিষেবার উন্নয়ন
- ✔️ প্রশাসনিক নজরদারি ও দায়বদ্ধতা
📌 উপসংহার:
তারা মাইন ঘিরে জয়নগরের এই আন্দোলন শুধু রাস্তা বা চাকরির দাবি নয়, বরং গ্রামীণ অধিকার, নিরাপত্তা এবং ন্যায্যতার লড়াই। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন তাকিয়ে গোটা এলাকা।










