আসানসোল চিলড্রেন ফিল্ম ফেস্টিভালের আমন্ত্রণপত্রে বড় বিতর্ক!

single balaji

আসানসোল: পশ্চিমবঙ্গের শিশু কিশোর অ্যাকাডেমি ও সংস্কৃতি দফতর-এর উদ্যোগে আসানসোল চিলড্রেন ফিল্ম ফেস্টিভাল আগামী ২১ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত রবীন্দ্র ভবন-এ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তবে এই উৎসবের আমন্ত্রণপত্র প্রকাশের পরই তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

abs academy of nursing

বিতর্কের মূল কারণ হলো, আমন্ত্রণপত্রে রাজ্যের মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, কিন্তু আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায় এবং চেয়ারম্যান অমরনাথ চ্যাটার্জির নাম সেখানে নেই!

আমন্ত্রণপত্রে মন্ত্রী মলয় ঘটক, প্রদীপ মজুমদার, ইন্দ্রনীল সেন, সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা, জেলা শাসক এস. পন্না বলাম ও জেলা সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাবরির নাম রয়েছে, কিন্তু আসানসোল পুরনিগমের শীর্ষ আধিকারিকদের কোনো স্থান দেওয়া হয়নি!

saluja auto

⚡ বিরোধীদের তীব্র প্রতিক্রিয়া, তৃণমূলের অন্দরেই দ্বন্দ্ব?

এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস নেতা প্রসনজিৎ পুটুন্ডি তীব্র সমালোচনা করে বলেন—
🗣️ “এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রতিফলন। একটি মহানগরের মেয়রের নাম ছাড়া এত বড় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র প্রকাশ হওয়া একেবারেই অনুচিত!”

বিজেপি-ও এই ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা করেছে। অনেকেই মনে করছেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও রাজনৈতিক চাপানউতোরের কারণেই এই ঘটনাটি ঘটেছে।

controversy over invitation card 2

🤔 মেয়র ও চেয়ারম্যানের প্রতিক্রিয়া – বিতর্ক এড়ানোর চেষ্টা?

যখন মেয়র বিধান উপাধ্যায় এবং চেয়ারম্যান অমরনাথ চ্যাটার্জি-কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়, তারা একে বড় কোনো ইস্যু মানতে চাননি।
🔹 মেয়র বলেন, “এটি রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠান। এখানে নাম থাকা না থাকার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সরকার যা ঠিক মনে করেছে, তাই করেছে। আমরা অনুষ্ঠানে যাব, কিন্তু এই নিয়ে রাজনীতি করব না।”
🔹 চেয়ারম্যানেরও বক্তব্য, “বিষয়টি নিয়ে অহেতুক বিতর্ক করা উচিত নয়।”

raja biscuit

🎭 সংস্কৃতি দফতরের সাফাই – কিন্তু বিতর্ক থামবে তো?

সংস্কৃতি দফতরের জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক নরেন্দ্রনাথ দত্ত এই বিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন—
🗣️ “আমরা যে নির্দেশ পেয়েছি, তার ভিত্তিতেই নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আমন্ত্রণপত্রের জায়গা সীমিত ছিল, তাই সকলের নাম দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাড়াহুড়োয় কিছু নাম বাদ পড়েছে, তবে এটি কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়।”

কিন্তু এই ব্যাখ্যার পরেও বিতর্ক থামেনি। অনেকেই মনে করছেন, এটি একটি ‘কৌশলগত বাদ’ যা দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ghanty cloth stores, ghanty jewels

📢 নির্বাচন-পূর্ব রাজনীতি না শুধুই ভুল?

আসানসোলে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে, এবং এই ইস্যু আগুনে ঘি ঢালার মতো কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে,
📌 “এই বিতর্ক শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সীমিত জায়গার বিষয় নয়, বরং এটি তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরের হিসাবনিকাশের প্রতিফলন।”

এখন দেখার, এই বিতর্ক ধামাচাপা পড়ে, নাকি এটি আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়!

ghanty

Leave a comment