বার্নপুর:
বিজয়াদশমীকে সামনে রেখে বার্নপুরের শিবস্থান মহাবীর দল সেন্ট্রাল আকাড়ার পক্ষ থেকে শনিবার সন্ধ্যায় এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ১৪টি মহাবীর আকাড়া কমিটি এবং হিরাপুর থানার আধিকারিকরা। এই বৈঠকে শোভাযাত্রার নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা, রুটম্যাপ ও সংগঠনের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মন্ত্রী তথা মহাবীর দল সেন্ট্রাল আকাড়ার সভাপতি মলয় ঘটক, আইজিপি অশোক সিং মহাপাত্র, হিরাপুর থানার ওসি তন্ময় রায়, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গৌরীশঙ্কর সিং, সম্পাদক ওমপ্রকাশ সিং, শুভদীপ ঠাকুর, রাজেশ সিং, প্রবীর ধর সহ ১৪টি আকাড়া কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকবৃন্দ।
বৈঠকের মূল বার্তা:
🔹 সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী বিজয়াদশমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র ও ডিজে বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
🔹 যেকোনো ইভেন্ট হলে তা আগে পুলিশকে জানাতে হবে।
🔹 মাদকাসক্ত হয়ে শোভাযাত্রায় অংশ না নেওয়ার আবেদন।
🔹 নির্দিষ্ট রুটম্যাপ মেনে শোভাযাত্রা পরিচালনার উপর জোর।
🔹 লাঠি খেলা ও আগুনের খেলা প্রদর্শনের সময় বিশেষ সতর্কতা নেওয়ার নির্দেশ।
হিরাপুর থানার ওসি তন্ময় রায় বলেন,
“বার্নপুরে বহু বছর ধরে সব ধর্মের উৎসব একসঙ্গে পালনের ঐতিহ্য রয়েছে। এবারও মহাবীর আকাড়া শোভাযাত্রা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে সমন্বয় থাকবে।”
মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন,
“দুর্গাপূজোর মতো মহাবীর আকাড়া কমিটিগুলিকেও অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বছর অনুদান বাড়িয়ে ₹২৫,০০০ টাকা করা হয়েছে। সব কমিটিকে সোসাইটিস অ্যাক্ট অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনের আবেদন করছি। পাশাপাশি যেসব দুটি আকাড়া আলাদা বেরোয়, তাদেরও এবারের শোভাযাত্রায় যুক্ত করা হবে।”
শোভাযাত্রার বিশেষ আকর্ষণ:
🔸 প্রচলিত ক্রীড়া প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক শোভাযাত্রা, ঐতিহ্যবাহী ঢাক-বাজনা।
🔸 শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক ও পুলিশ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা বেষ্টনী।
🔸 শিশু ও বয়স্কদের জন্য আলাদা দর্শক এলাকা এবং বিশ্রাম কেন্দ্র।
গৌরীশঙ্কর সিং বৈঠকের সফল পরিচালনা করেন। স্থানীয়রা জানান, এবারের শোভাযাত্রা আগের বছরের তুলনায় আরও বর্ণাঢ্য ও সুসংগঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।











