বার্নপুর: বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হিরাপুর থানার অন্তর্গত বার্নপুর রোডের নিমতলা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে একে একে একটি সেলুন, চায়ের দোকান, হোটেল, লোহার দোকান, গ্যারেজ এবং চিকেন শপ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।
🔥 রাত ১:৩০টায় আগুন, লাখ লাখ টাকার সম্পত্তি ছাই!

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আগুনের লেলিহান শিখা এতটাই ভয়ানক ছিল যে দোকানমালিকরা কোনো জিনিসপত্র বের করার সুযোগই পাননি। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে নিজেরাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপর তারা সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ও দমকল বিভাগকে খবর দেন।

🚒 দমকলের দুই ইঞ্জিনে নিয়ন্ত্রণ, কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ!
হিরাপুর থানার পুলিশের উপস্থিতিতে দমকলের দুটি ইঞ্জিন দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, কিন্তু ততক্ষণে দোকানগুলির সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।

👀 এটি কি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র? ব্যবসায়ীদের অভিযোগ!
এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা আগুন লাগার পিছনে গভীর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
📌 হোটেল মালিক পঙ্কজ বলেন, “কয়েক মাস আগেই দোকানটি নতুন করে সাজিয়েছিলাম, কিন্তু এখন সব কিছু শেষ! দু’বছর আগেও আগুনে আমার দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এবারও একই ঘটনা ঘটল, এটি নিছক দুর্ঘটনা হতে পারে না।”

📌 চিকেন শপের মালিক শাহিদ খান বলেন, “আমার দোকানে রাখা মুরগিগুলো বেঁচে গেছে, কিন্তু দোকানের বাকি সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এটি কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হতে পারে।”
⚠️ দুই বছর আগেও একই এলাকায় ৫টি দোকানে লেগেছিল আগুন! রহস্য গাঢ় হচ্ছে!
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দুই বছর আগেও এই এলাকায় একইভাবে পাঁচটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। তাই এখন প্রশ্ন উঠছে, এটি কি নিছকই দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে কোনো বড় চক্রান্ত রয়েছে?

📢 ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রশাসন তদন্ত করুক ও ক্ষতিপূরণ দিক!
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান করেছেন। যদি এটি ষড়যন্ত্র হয়ে থাকে, তাহলে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক!













