আসানসোল, ৭ মে ২০২৫: আসানসোল পৌর নিগমের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড, যা রেলপার অঞ্চলের অন্তর্গত, আজ উন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। এই রূপান্তরের পেছনে রয়েছেন ওয়ার্ডের প্রথমবার নির্বাচিত কাউন্সিলর গোপা রায়, যিনি স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে এলাকার সমস্যা ও প্রয়োজন সম্পর্কে সুপরিচিত।
🛠️ পরিকাঠামোগত উন্নয়ন
- গারুই নদীর পাড়ে গার্ডওয়াল নির্মাণ: প্রায় ₹৩০ লক্ষ ব্যয়ে গারুই নদীর পাড়ে গার্ডওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে, যা বর্ষাকালে প্লাবন রোধে সহায়ক হবে।
- রাস্তা নির্মাণ ও মেরামত: দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির থেকে জাতীয় সড়ক পর্যন্ত পিচঢালা রাস্তা নির্মাণে ₹৭০ লক্ষ ব্যয় হয়েছে। এছাড়া, মহাবীর কলোনি মাজার থেকে সুকান্ত পল্লি ও দীপু পাড়া পর্যন্ত কংক্রিট রাস্তা নির্মাণে ₹১০ লক্ষ ব্যয় হয়েছে।
- স্ট্রিট লাইট স্থাপন: সুকান্ত পল্লি, দীপু পাড়া ও গোপালনগর এলাকায় ৩৬টি স্ট্রিট লাইট বসানো হয়েছে, যা রাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

🏫 শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
- স্কুল পরিকাঠামো উন্নয়ন: ওয়ার্ডে একটি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল, চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি পলিটেকনিক কলেজ রয়েছে। দুর্গা মন্দির প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শৌচাগার ও পানীয় জলের ব্যবস্থা না থাকায়, স্থান সংকটের কারণে কাজ শুরু করা যায়নি। আগাবেগ প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শৌচাগার নেই, তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ নির্মাণে আগ্রহী নয়।
- আঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র: ওয়ার্ডে চারটি আঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে, তবে কোনোটিই সক্রিয় নয়।
🗣️ কাউন্সিলরের বক্তব্য
কাউন্সিলর গোপা রায় বলেন, “আমি এই এলাকার মানুষ। তাই এখানকার প্রতিটি সমস্যার সঙ্গে আমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমার লক্ষ্য হল, আগামী দুই বছরে ওয়ার্ডের প্রতিটি রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করা।”
🔮 ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
কাউন্সিলর রায় জানান, পলিটেকনিক কলেজের পেছনের নর্দমা স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে, যা আগামী দুই বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
এই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ৩০ নম্বর ওয়ার্ড আসানসোলের একটি মডেল ওয়ার্ডে পরিণত হয়েছে, যা অন্যান্য ওয়ার্ডের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।













