আসানসোল: আসানসোল নগর নিগমের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ আরিফ আলি তার ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে চলেছেন। যদিও অন্যান্য সমস্যা থাকলেও, এই ওয়ার্ডটি ঘন জনবসতি ও ছোট পরিসরের হওয়ায় বেশিরভাগ সমস্যার সমাধান ইতিমধ্যেই করা হয়েছে। তবে পুরো ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা পানীয় জলের অভাব।
💧 পানীয় জলের সমস্যার সমাধানে বড় পদক্ষেপ

এক সাক্ষাৎকারে কাউন্সিলর মোঃআরিফ আলি জানান, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ১০,০০০ ভোটার রয়েছেন এবং এখানে ৩ নম্বর শ্রীপুর বস্তি, মুসনাবাদ, ছাতিমডাঙাল, শ্রীপুর, শ্রীপুর নিউ সেন্টার, শ্রীপুর বাজার প্রভৃতি এলাকাগুলি রয়েছে।
এই অঞ্চলের বড় অংশই ECL (Eastern Coalfields Limited) কলিয়ারির অন্তর্ভুক্ত, ফলে কিছু কিছু এলাকায় আগে থেকেই উন্নয়ন হয়েছে। যদিও ওয়ার্ডের প্রায় সর্বত্র স্ট্রিট লাইটের সুব্যবস্থা রয়েছে, তবে পানীয় জলের সংকট এখনও রয়ে গেছে।
তিনপুটিয়ার রাস্তা তে স্ট্রিট লাইট লাগানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে , খুব তাড়াতাড়িই এই কাজ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে ১৫টি ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় জল সরবরাহ করা হচ্ছে, যা গ্রীষ্মকালে বাড়িয়ে ২৫টি করা হয়। কাউন্সিলরের মতে, আগামী দুই বছরে পানীয় জলের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

🏫 শিক্ষা ও পরিকাঠামো উন্নয়ন
- ২টি প্রাইমারি স্কুল রয়েছে:
- শ্রীপুর হিন্দি মিডিয়াম প্রাইমারি স্কুল (আগে থেকেই শৌচালয় ছিল)।
- উর্দু মিডিয়াম প্রাইমারি স্কুলে নতুন শৌচালয় নির্মাণ করা হয়েছে।
- শ্রীপুর হাট মাধ্যমিক স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নতুন শৌচালয় নির্মাণ সম্পন্ন।
- উর্দু মিডিয়াম প্রাইমারি স্কুলকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার জন্য ইতোমধ্যেই ECL থেকে NOC এর জন্য আবেদন করা হয়েছে।

🚧 রাস্তাঘাট ও পরিকাঠামো উন্নয়ন
- পাথরডাঙা ও তিনপুটিয়া এলাকায় রাস্তা নির্মাণের জন্য টেন্ডার পাস হয়েছে।
- কবরস্থানের উন্নয়ন ও রাস্তা নির্মাণের পাশাপাশি সৌন্দর্যায়নেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
- গত ৩ বছরে বেশ কিছু এলাকার রাস্তা ও ড্রেনেজ মেরামতের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

🏗️ আগামী পরিকল্পনা
কাউন্সিলর মোঃ আরিফ আলি আশ্বাস দিয়েছেন যে, আগামী দুই বছরের মধ্যে এই ওয়ার্ডের সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হবে। তিনি বলেন, আসানসোল নগর নিগম থেকে ৩০ লাখ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে, যা আগামী দুই বছরে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত পৌঁছাবে। এই বরাদ্দ অর্থ দিয়ে ওয়ার্ডের সমস্ত বাকি উন্নয়নমূলক কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। শ্রীপুর এ একটা হনূমান মন্দির রয়েছে , সেটি কে সম্পূর্ণ তৈরী করার জন্য প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, তার ওয়ার্ড ছোট হওয়ায় ৩০ লাখ টাকা বাজেটের মধ্যেও তিনি ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন করতে সক্ষম হচ্ছেন।













