আসানসোল:
পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও যুব বিজেপি নেতা শ্রী কৃষ্ণ প্রসাদ জি-এর উপর আস্থা রেখে আসানসোল পুরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছুতার ডাঙা এলাকার প্রায় ৬০০ জন গ্রামবাসী একযোগে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিলেন। এই যোগদানের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হল বঞ্চিত আদিবাসী ও সাঁওতালি সমাজের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ, যা আসানসোল শিল্পাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
কড়া শীতের মধ্যেও সমাজসেবার ব্রতকে আরও জোরদার করে কৃষ্ণ প্রসাদ জি তাঁর কর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়েছেন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কম্বল বিতরণ কর্মসূচি চালিয়ে তিনি শীতের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর এই মানবিক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে বহু মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।
যে গ্রাম বা পাড়ায় কৃষ্ণ প্রসাদ জি পৌঁছাচ্ছেন, সেখানকার মানুষজন একত্রিত হয়ে নিজেদের ও এলাকার সমস্যার কথা সরাসরি তাঁর সামনে তুলে ধরছেন। ছুতার ডাঙা এলাকায় গ্রামবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা রাস্তা ও ঘাটের বেহাল অবস্থা, পানীয় জলের সংকট, আবর্জনায় ভরা পুকুর, শৌচালয়ের অভাব এবং নিরাপদ বাসস্থানের অভাব-এর মতো গুরুতর সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
কৃষ্ণ প্রসাদ জি সমস্ত অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং গ্রামবাসীদের আশ্বাস দেন যে, তাঁদের মৌলিক সমস্যাগুলির সমাধানে তিনি অচিরেই উদ্যোগ নেবেন। তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে রাজ্যে শাসক দলের দখলে থাকা দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এই ন্যূনতম পরিষেবাগুলি দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
নিজের বক্তব্যে কৃষ্ণ প্রসাদ জি বলেন,
“আমি গত ৩৩ বছর ধরে সমাজসেবার কাজ করে চলেছি। গরিব ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ালেই আমি শান্তি পাই। কিন্তু শাসক দলের দুর্নীতি ও তাদের প্রভাবশালীদের কারণে বারবার বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। তবুও আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সমাজসেবা চালিয়ে যাব। সেই লক্ষ্যেই আমি বিজেপির মঞ্চ বেছে নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, এলাকার মানুষের দুর্দশা নিজের চোখে দেখে তাঁর সংকল্প আরও দৃঢ় হয়েছে এবং তিনি আশাবাদী যে ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হবে, এরপর জনকল্যাণমূলক কাজ দ্রুত গতিতে বাস্তবায়িত হবে।
এই বক্তব্য ও দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে ছুতার ডাঙার প্রায় ৬০০ জন বাসিন্দা কৃষ্ণ প্রসাদ জির নেতৃত্বে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই যোগদান আসানসোল এলাকায় বিজেপির সাংগঠনিক শক্তিকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে।














