আসানসোল: জিটি রোডে সেন্ট জোসেফ স্কুলের ঠিক বিপরীতে পার্ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন সরাসরি রাজনৈতিক সংঘাতে পরিণত হয়েছে। আসানসোল পৌর নিগম ওই স্থানে পার্ক তৈরির জন্য চুক্তি প্রদান করেছে এবং ইতিমধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে পরিবহণ তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা রাজু আহলুওয়ালিয়া অভিযোগ করেন, একই চত্বরে ‘আসানসোল নার্সারি’ নামে একটি দোকান চালানো হচ্ছে। তার এই মন্তব্যের পর থেকেই বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করে।
⚡ এমআইএমের সমালোচনা, বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ
কয়েক দিন আগে এই ইস্যুতে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এমআইএম)-এর নেতা দানিশ আজিজ কড়া সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ তোলেন যে, পার্ক নির্মাণ এবং দোকান অপসারণ নিয়ে স্বচ্ছতা নেই।
এরপরই বিষয়টি রাজনৈতিক মোড় নেয়।
🗣️ রাজুর পাল্টা বার্তা
দানিশ আজিজের বক্তব্যের জবাবে রাজু আহলুওয়ালিয়া বলেন, “যে দলের কার্যত কোনও সংগঠনগত অস্তিত্ব নেই, তারা আমাদের নিয়ে মন্তব্য করছে।” তিনি দাবি করেন, তারা বরাবরই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন।
📢 এমআইএমের পাল্টা প্রতিক্রিয়া
পশ্চিম বর্ধমান জেলা এমআইএমের সম্পাদক এজাজ আহমেদ জানান, প্রথম দিন থেকেই উচ্ছেদ হওয়া দোকানগুলির পক্ষে আওয়াজ তুলেছিল এমআইএম। তার দাবি, পৌর নিগমের দেওয়া চুক্তির কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এখন উল্টে তৃণমূল নেতাদের দিকেই উঠছে।
🔎 অন্তর্দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত?
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, রাজ্যে যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস-এর সরকার এবং পৌর বোর্ডও একই দলের হাতে, সেখানে এই ধরনের প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব কি অন্তর্দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে?
বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে ঘিরে মতপার্থক্য সামনে এলে তা ভবিষ্যতের নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 নির্বাচনী প্রভাবের জল্পনা
আগামী নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং পার্ক নির্মাণের কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পূর্ণ হয় কি না।











