আসানসোল, ৮ সেপ্টেম্বরঃ
আসানসোলের কুলটি থানার অন্তর্গত রহমানপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হওয়া গুলি কাণ্ডের রহস্য অবশেষে উদ্ঘাটন করল পুলিশ। এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন পৌর কর্মী জাভেদ বারিক। গুলির শব্দে কেঁপে উঠেছিল গোটা এলাকা, মুহূর্তে ছড়িয়েছিল আতঙ্ক।
🔎 পুলিশের জালে ৪ পেশাদার বন্দুকবাজ
তদন্তের শুরুতেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সর্বশেষ অভিযানে উত্তর আসানসোল থানার এলাকা থেকে ধরা পড়েছে চার কুখ্যাত শুটার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এরা-ই সরাসরি খুনের ঘটনায় হাত লাগিয়েছিল।
⚖️ আদালতে তোলা হবে অভিযুক্তদের
গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে সোমবার কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসানসোল আদালতে পেশ করা হবে। পুলিশের দাবি, তদন্তে আরও কয়েকজন মাস্টারমাইন্ড ও দুষ্কৃতীর নাম উঠে আসতে পারে।
😨 দহশতে রহমানপাড়া, তবে পুলিশের পদক্ষেপে স্বস্তি
ঘটনার পর থেকেই রহমানপাড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভয়ের আবহ তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা রাত নামলেই আতঙ্কে তটস্থ থাকছিলেন। তবে পুলিশের এই বড় সাফল্যের পর কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন সাধারণ মানুষ।
📝 খুনের নেপথ্যে জমি দখলের ষড়যন্ত্র?
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এক বিতর্কিত জমির মালিকানা ঘিরেই খুনের ছক কষা হয়েছিল। খুনিদের পেছনে শক্তিশালী দালাল ও জমি মাফিয়াদের হাত রয়েছে বলেই মনে করছে পুলিশ।
👮 পুলিশের তৎপরতা জারি
আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের তরফে এলাকায় বাড়তি ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। রাতের গশ্তও আরও জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের পুরো নেটওয়ার্ক প্রকাশ্যে আনা হবে।
➡️ এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, “এমন নৃশংস ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে, এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে আসল দোষীরা যদি আইনের জালে ধরা পড়ে তবেই এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।”














