আসানসোল/কুল্টি: পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের কুল্টি থানার অন্তর্গত চৌরঙ্গি ফাঁড়ি এলাকায় হঠাৎই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল। নিয়ামতপুর-চিত্তরঞ্জন রোডের চৌরঙ্গি মোড়ের কাছে একটি বড় গাড়ির সার্ভিস সেন্টারে আচমকাই আগুন লাগে, যা মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, অল্প সময়ের মধ্যেই পাশের একটি বাড়িতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
🔥 লেলিহান শিখা ও ধোঁয়ায় ঢাকল গোটা এলাকা
চোখের সামনে আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখে আতঙ্কে এলাকা জুড়ে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।
- সার্ভিস সেন্টার থেকে উঁচু আগুনের শিখা আকাশ ছুঁতে থাকে
- কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী পুরো এলাকাকে ঢেকে দেয়
- বাসিন্দারা ভয়ে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন
এক সময় পুরো চৌরঙ্গি এলাকা যেন ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে যায়।
🌳 জঙ্গল থেকেই আগুনের সূত্রপাত? রহস্য ঘনীভূত
সার্ভিস সেন্টারের কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক অনুমান—
👉 পেছনের জঙ্গল এলাকা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে
👉 সেখান থেকে ধীরে ধীরে আগুন ছড়িয়ে সার্ভিস সেন্টারে পৌঁছয়
তবে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার সঠিক কারণ স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
🚒 দমকলের দেরিতে পৌঁছানোয় ক্ষোভ
ঘটনার খবর পেয়ে চৌরঙ্গি ফাঁড়ির পুলিশ ও দমকল বিভাগকে জানানো হয়। কিন্তু—
- দমকলের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়
- বাসিন্দাদের অভিযোগ, সময়মতো দমকল এলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যেত
পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
👮 পুলিশের তৎপরতা, এলাকা ঘিরে ফেলা
পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে—
- গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে
- সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেয়
- নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে
দমকল কর্মীরা দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চালিয়ে যান।
⚠️ আতঙ্কে গোটা এলাকা, নজরদারিতে প্রশাসন
এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি, তবুও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যথেষ্ট বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔍 তদন্ত শুরু, বড় প্রশ্ন— কীভাবে লাগল আগুন?
এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—
👉 সত্যিই কি জঙ্গল থেকেই আগুন ছড়িয়েছে?
👉 নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে?
পুলিশ ও দমকল বিভাগ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
👉 সব মিলিয়ে, কুল্টির এই অগ্নিকাণ্ড আবারও মনে করিয়ে দিল—সতর্কতার সামান্য অভাবই বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।














