আসানসোলে অবৈধ লটারি কাণ্ড! মিনিবাস থেকে বিপুল টিকিট উদ্ধার, পুলিশকে ঘিরে বিতর্ক

single balaji

আসানসোল: আবারও বড়সড় অভিযানে নামল আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট। সালানপুর থানার অন্তর্গত কল্যাণেশ্বরী নাকা পয়েন্টে একটি মিনিবাস থেকে বিপুল পরিমাণ ঝাড়খণ্ডের অবৈধ লটারি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তবে এই সাফল্যের মাঝেই পুলিশের ভূমিকা ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন, যা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

🚍 মিনিবাস থেকে উদ্ধার বিপুল লটারি

শনিবার মাইথন কালীপাহাড়ি এলাকা থেকে ‘কৃপাময়’ নামের একটি মিনিবাস (WB37C5476) আসানসোল-এর দিকে আসছিল।

👉 নাকা চেকিংয়ের সময় গাড়িটিকে আটকায় পুলিশ
👉 তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি বড় বাণ্ডিলে ভরা অবৈধ লটারি টিকিট উদ্ধার
👉 অনুমান, এগুলি শিল্পাঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল

🕵️‍♂️ সিন্ডিকেটের হদিশ

তদন্তে উঠে এসেছে একটি সুসংগঠিত চক্রের অস্তিত্ব।

👉 গুদ্দু খান
👉 দীপক তিওয়ারি

ঝাড়খণ্ড থেকে এই লটারি পাঠাতেন বলে অভিযোগ।

অন্যদিকে—

👉 পল্টু সিং

স্থানীয়ভাবে এই টিকিটগুলি সরবরাহ করত এবং তা পৌঁছে দিত জামুড়িয়া, রানিগঞ্জ ও দুর্গাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকায়।

⚠️ পুলিশের ভূমিকায় বিতর্ক

ঘটনার তদন্তে বাসের চালক ও খালাসিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু সবচেয়ে বিতর্কিত ঘটনা ঘটে তখন—

👉 ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জব্দ লটারির ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয়

ডিউটিতে থাকা অফিসারের এই আচরণ ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—

👉 কেন তথ্য গোপন করা হল?
👉 অভিযানে স্বচ্ছতার অভাব কি কিছু লুকোনোর ইঙ্গিত?

🔍 প্রশ্নের মুখে স্বচ্ছতা

স্থানীয় মহল ও সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি—

👉 এই ঘটনায় বড় চক্র জড়িত থাকতে পারে
👉 তদন্তের স্বার্থে তথ্য গোপন করা হচ্ছে, নাকি অন্য কিছু?

⚔️ বাড়ছে অবৈধ লটারির দৌরাত্ম্য

বিশেষজ্ঞদের মতে—

👉 ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমান্তে অবৈধ লটারির ব্যবসা দ্রুত বাড়ছে
👉 শিল্পাঞ্চলগুলিকে টার্গেট করেই এই নেটওয়ার্ক কাজ করছে

🔥 সব মিলিয়ে, আসানসোলের এই অভিযান যেমন বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে, তেমনই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন গোটা ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন নজর, তদন্তে আর কী কী তথ্য সামনে আসে।

ezgif 263be683d19f0d34
ghanty

Leave a comment