🚫 রাসায়নিক নয়, প্রাকৃতিক পথে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামল আসানসোল পুরসভা

single balaji

আসানসোল: ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতিরোধে অভিনব ও পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ নিল আসানসোল পৌরনিগম। বৃহস্পতিবার, পুরসভার ৪ নম্বর বরো অফিসের উদ্যোগে প্রায় ২০,০০০ গপ্পি মাছ বিতরণ করা হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। উদ্দেশ্য একটাই— ডেঙ্গুবাহী মশার ডিম ও লার্ভা ধ্বংস করা।

পুরসভার চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় জানান,

“পুরনিগমের পক্ষ থেকে এবং বরো ৪-এর সহযোগিতায় এই গপ্পি মাছ ও তার খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। বাসিন্দাদের বলা হয়েছে যাতে তারা এই মাছগুলি নিজেদের বাড়ির চারপাশের ডোবা, নালা, জলাবদ্ধ জায়গা বা পুকুরে ছেড়ে দেয়।”

গপ্পি মাছ প্রকৃতিগতভাবে মশার ডিম ও লার্ভা খেয়ে ফেলে, যার ফলে মশার বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হয়। এতে ডেঙ্গুর মতো প্রাণঘাতী ভাইরাল জ্বর প্রতিরোধে সহায়তা করে।

✅ স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা ও উৎসাহ বাড়ছে

পুরপ্রধান আরও জানান, বরো এলাকার বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনে আরও গপ্পি মাছ অন্যান্য এলাকাতেও সরবরাহ করা হবে।

পুরকর্মীরা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বাড়ি-বাড়ি গিয়ে জানাচ্ছেন কিভাবে গপ্পি মাছ ছাড়তে হবে এবং কোন কোন জায়গায় জল জমা এড়াতে হবে। বাসিন্দারা এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং বলছেন,

“স্প্রে বা রাসায়নিক নয়, প্রকৃতির উপায়েই ডেঙ্গুর মোকাবিলা করাটাই দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ ও কার্যকর।”

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,

“এই রকম প্রাকৃতিক ডেঙ্গু প্রতিরোধী ব্যবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এটা খুব ভালো পদক্ষেপ।”

এখন শুধু বরো ৪ নয়, আসানসোলের অন্যান্য বরোতেও দ্রুত এই প্রকল্প চালু করার দাবি উঠছে।

ghanty

Leave a comment