পশ্চিম বর্ধমান: আসন্ন ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে পশ্চিম বর্ধমান জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে জোরকদমে প্রস্তুতি। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন সরকারি দফতর ও প্রতিষ্ঠানকে দেশাত্মবোধের রঙে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।
জেলা সদর দফতর থেকে শুরু করে ব্লক ও অন্যান্য সরকারি অফিসে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তিরঙ্গা যাত্রা এবং স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। সর্বত্রই জাতীয় পতাকার রঙে সেজে উঠছে অফিস চত্বর, তৈরি হচ্ছে উৎসবের আবহ।
🎨 রঙোলিতে ফুটে উঠছে দেশপ্রেম
সরকারি অফিসগুলিতে আকর্ষণীয় রঙোলি তৈরি করে পরিবেশকে আরও মনোরম করে তোলা হচ্ছে। তিরঙ্গার রঙে সাজানো এই শিল্পকর্মগুলো স্বাধীনতার আবেগকে আরও উজ্জ্বল করে তুলছে।
🎉 বিভিন্ন কর্মসূচিতে মুখর জেলা
‘হর ঘর তিরঙ্গা’ উপলক্ষে জেলাজুড়ে আয়োজন করা হচ্ছে একাধিক কর্মসূচি। এর মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সচেতনতা শিবির, পতাকা বিতরণ, প্রভাতফেরি এবং ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে বিশেষ কার্যক্রম। প্রশাসনের লক্ষ্য—প্রত্যেক ঘরে তিরঙ্গা তুলে দিয়ে দেশপ্রেমের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।
🗣️ জেলাশাসকের বক্তব্য
পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস. পন্না বালাম জানিয়েছেন, জেলার বিভিন্ন সরকারি দফতরে এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “রঙোলি তৈরি সহ নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবস ও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানকে উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করার প্রস্তুতি চলছে।”
🇮🇳 উৎসাহে ভরপুর সাধারণ মানুষও
শুধু প্রশাসন নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই অভিযানের প্রতি ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই নিজেদের বাড়ি, দোকান ও প্রতিষ্ঠান তিরঙ্গা দিয়ে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমেও বাড়ছে এই প্রচারের ঢেউ।
👉 সারসংক্ষেপ:
পশ্চিম বর্ধমানে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ এখন শুধুই একটি সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং এটি হয়ে উঠছে এক সর্বজনীন দেশাত্মবোধের উৎসব। ১৫ আগস্টকে ঘিরে গোটা জেলায় যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে এক নতুন উদাহরণ সৃষ্টি করছে।

