আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান:
‘ভারত ছাড়ো আন্দোলন’ দিবস উপলক্ষে রবিবার আসানসোলের গির্জা মোড়ে কংগ্রেস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল এক আবেগঘন শ্রদ্ধাঞ্জলি সভা। এই অনুষ্ঠানে কংগ্রেস নেতা ও কর্মীরা দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মবলিদান করা শহিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
🇮🇳 দেশপ্রেমে মুখর কংগ্রেস কার্যালয়
অনুষ্ঠান জুড়ে দেশপ্রেমের আবহ ছিল স্পষ্ট। উপস্থিত সকলেই ‘ভারত মাতার জয়’ ধ্বনি তুলে স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর যোদ্ধাদের স্মরণ করেন।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা প্রসন্নজিৎ পুইটুণ্ডি এবং চাঁদী শাহ আলম-সহ একাধিক নেতা ও কর্মী।
🗣️ কী বললেন প্রসন্নজিৎ পুইটুণ্ডি?
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রসন্নজিৎ পুইটুণ্ডি বলেন,
“মহাত্মা গান্ধী ও কংগ্রেসের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘ভারত ছাড়ো আন্দোলন’ ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণআন্দোলন, যা সারা দেশে স্বাধীনতার আগুনকে আরও জ্বালিয়ে তোলে।”
তিনি আরও বলেন, সেই সময় দেশের মানুষের সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেম আজও প্রতিটি ভারতবাসীর জন্য অনুপ্রেরণা।
📜 স্বাধীনতার সংগ্রামে মোড় ঘোরানো অধ্যায়
তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভারত ছাড়ো আন্দোলন’ স্বাধীনতা সংগ্রামকে এক নতুন দিশা দেয় এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে জনআন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। এই আন্দোলনের পথ ধরেই শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে।
🙏 শুধু শ্রদ্ধা নয়, শপথও
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা শপথ নেন—
- স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আদর্শ নিজেদের জীবনে অনুসরণ করবেন
- দেশের প্রতি নিজেদের দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করবেন
- নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস জানাতে সচেষ্ট থাকবেন
🌱 নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত করার প্রচেষ্টা
এই কর্মসূচিতে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয় যে, বর্তমান প্রজন্মকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে তারা দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও সংবিধানের মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন হবে।
🤝 ঐক্য ও দায়িত্ববোধের বার্তা
গির্জা মোড়ের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কংগ্রেস নেতারা দেশের ঐক্য, গণতন্ত্র ও সংবিধানের প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
👉 সব মিলিয়ে, আসানসোলে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি শুধুমাত্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নয়, বরং দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হওয়ার এক শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

