মাইথন: ক্রীড়াক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে ইতিহাস গড়ল ডিভিসি হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল (লেফট ব্যাংক)। ২২তম এ.কে. মালব্য ইন্টার-স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে মৈথন তথা ডিভিসি পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করল এই দল। দমোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের মৈথন ড্যাম প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত এই বিদ্যালয়ের সাফল্যে খুশির জোয়ার বইছে গোটা এলাকায়।
⚽ অপরাজিত অভিযান, অবিশ্বাস্য রেকর্ড!
ক্যাপ্টেন লখিন্দর রায়-এর নেতৃত্বে দলটি গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ, ভারসাম্যপূর্ণ এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে সকলের নজর কেড়েছে।
👉 সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়—পুরো টুর্নামেন্টে একটি দলও ডিভিসির বিরুদ্ধে একটি গোল করতে পারেনি!
👉 দুর্ভেদ্য ডিফেন্স এবং নিখুঁত টিমওয়ার্কই ছিল জয়ের মূল চাবিকাঠি।
🏆 ফাইনালে দাপুটে জয়
ফাইনালে মুখোমুখি হয় এজি চার্চ স্কুল, সোদপুর এবং ডিভিসি স্কুল।
👉 উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ডিভিসি দল দুর্দান্ত সমন্বয়, শক্তিশালী রক্ষণভাগ এবং কার্যকর আক্রমণের মাধ্যমে ২–০ গোলে জয় ছিনিয়ে নেয়।
👉 এই জয়ের মধ্য দিয়েই তারা ট্রফি নিজেদের দখলে আনে।
🌟 টুর্নামেন্টের সেরা লখিন্দর রায়
দলের অধিনায়ক লখিন্দর রায় তার অসাধারণ খেলা, নেতৃত্ব এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য
👉 “ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট” পুরস্কারে ভূষিত হন।
👨🏫 কোচ ও পরিচালনার অবদান
এই ঐতিহাসিক সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন—
✔️ কোচ সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
✔️ ম্যানেজার উদিত নারায়ণ সিনহা
✔️ প্রধান শিক্ষক গোরা চাঁদ ঘোষ
তাদের পরিকল্পনা, কৌশল এবং নিরন্তর উৎসাহই দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দিয়েছে।
🎤 কী বললেন কোচ ও প্রধান শিক্ষক?
সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন—
👉 “নিয়মিত অনুশীলন, কঠোর পরিশ্রম এবং জয়ের দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির ফলেই আমরা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি।”
গোরা চাঁদ ঘোষ বলেন—
👉 “এই জয় শুধুমাত্র একটি ট্রফি নয়, এটি আমাদের বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও ক্রীড়া সংস্কৃতির প্রতিফলন।”
🎉 ডিভিসি পরিবারে আনন্দের ঢেউ
এই সাফল্যের পর ডিভিসি মাইথন ড্যাম প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মীরা খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং বিদ্যালয় পরিবারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
👉 গোটা ডিভিসি পরিবারে এখন উৎসবের আবহ।
📌 উপসংহার:
ডিভিসি হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের এই জয় শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা এবং দলগত প্রচেষ্টার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
👉 ভবিষ্যতে এই দল রাজ্য ও জাতীয় স্তরেও নিজেদের সাফল্যের ধারা বজায় রাখবে—এমনটাই আশা সকলের।

