আসানসোল: পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে জাতীয় সড়ক ১৯-এর রামপুর চেকপোস্ট ঘিরে তথাকথিত ‘ডান্ডা ট্যাক্স’ কাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অবৈধ তোলাবাজি ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দুই মোটর ভেহিকেল ইন্সপেক্টর—নাজিমুল হক এবং অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়—কে ঝাড়গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
🚨 কী এই ‘ডান্ডা ট্যাক্স’ কাণ্ড?
অভিযোগ অনুযায়ী—
👉 আন্তঃরাজ্য সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতকারী গাড়িগুলিকে লক্ষ্য করে
👉 অবৈধভাবে টাকা আদায় করা হতো
👉 বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাক ও দূরপাল্লার যানবাহনের চালকদের কাছ থেকে জোর করে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
⚖️ পরিবহন দপ্তরের কড়া পদক্ষেপ
ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই—
👉 রাজ্য পরিবহন দপ্তর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে
👉 ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্ভিসেস রুলস, ১৯৭১ অনুযায়ী দু’জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়
👉 পাশাপাশি তদন্তভার দেওয়া হয়
অ্যান্টি করাপশন ব্যুরো (এসিবি)-কে।
🕵️♂️ পলাতক থেকে গ্রেপ্তার
👉 সাসপেনশনের পর থেকেই দুই অভিযুক্ত গা-ঢাকা দিয়েছিল
👉 আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট (ডিডি)
👉 ঝাড়গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে
👉 পুলিশের এই সাফল্যকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
⚖️ ভার্চুয়াল শুনানিতে আদালতে পেশ
👉 রবিবার দুই অভিযুক্তকে
👉 ভার্চুয়াল মাধ্যমে আসানসোল আদালতে তোলা হয়
👉 বর্তমানে মামলার তদন্ত জোরকদমে চলছে এবং
👉 এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
⚡ আরও বড় চক্রের ইঙ্গিত?
👉 সূত্রের খবর,
এই ঘটনায় বড় কোনও তোলাবাজি চক্র জড়িত থাকতে পারে
👉 তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন—
এই অবৈধ আদায়ের সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত ছিল কি না।
❗ কড়া বার্তা প্রশাসনের
এই ঘটনায় পরিষ্কার বার্তা—দুর্নীতি ও অবৈধ তোলাবাজির বিরুদ্ধে প্রশাসন এখন সম্পূর্ণভাবে কড়া অবস্থান নিয়েছে।
👉 এখন নজর—
তদন্তে আর কী কী চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে।

