ধর্মতলায় ‘ককরোচ’ আন্দোলন! গান-নাচে মিশল প্রতিবাদ, হঠাৎ উত্তেজনা

কলকাতা: শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ কলকাতার ব্যস্ত ডোরিনা ক্রসিং (ধর্মতলা) এলাকায় এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা গেল। সাধারণত যেখানে রাজনৈতিক মিছিল বা ছাত্র আন্দোলনের গম্ভীর পরিবেশ থাকে, সেখানে এদিন দেখা গেল গান, নাচ, সেলফি আর উচ্ছ্বাসে ভরা এক ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ—নাম ‘ককরোচ’ আন্দোলন

🎭 প্রতিবাদ নাকি উৎসব?

👉 গোটা এলাকা যেন মেলার চেহারা নেয়—

  • লাউডস্পিকারে গান 🎶
  • যুবকদের গোল হয়ে আড্ডা
  • কেউ নাচছে, কেউ ভিডিও বানাচ্ছে 📱

👉 এই দৃশ্য প্রচলিত আন্দোলনের ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।

👥 কারা ছিলেন এই আন্দোলনে?

👉 অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগই—
✔️ কিশোর-কিশোরী
✔️ সদ্য কলেজে ওঠা ছাত্রছাত্রী

👉 জায়ান রহমান, এক প্রাক্তন ছাত্র, জানান—

  • তিনি দু’বার নিট পরীক্ষা দিয়েছেন
  • দ্বিতীয়বার ফল খারাপ হওয়ায় হতাশ
  • বন্ধুদের সঙ্গে এই আন্দোলনে যোগ দেন

🗣️ ভিন্ন ধরনের স্লোগান

👉 প্রচলিত রাজনৈতিক স্লোগানের বদলে দেখা গেল—

  • “Error 404, Accountability Not Found”
  • “Meloniji, আমরা শেষ! আপনি যেন না হন…”

👉 কিছু পোস্টারে আবার বিতর্কিত ভাষাও ব্যবহার করা হয়।

মাস্ক, মজা আর প্রতিবাদ

👉 অনেকেই মুখ ঢেকেছিলেন মাস্কে
👉 কেউ এসেছিলেন ব্যাটম্যান, সুপারম্যান, হাল্কের মুখোশ পরে

👉 প্রতিবাদে এই অভিনব স্টাইল নজর কেড়েছে সবার।

📱 সোশ্যাল মিডিয়ার জোর

👉 অংশগ্রহণকারীদের দাবি—
✔️ তাদের বেশিরভাগই কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নয়
✔️ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই কর্মসূচির খবর পেয়ে যোগ দিয়েছেন

👉 ‘ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’-র আহ্বানেই এই জমায়েত।

🧑‍💼 কে এই উদ্যোগের নেপথ্যে?

👉 প্রায় ২৫ বছরের যুবক দেদীপ্য গঙ্গোপাধ্যায়

  • ২৪ জুলাই র‍্যালির অনুমতির জন্য পুলিশকে চিঠি দেন
  • নিজেকে সিজেপি সদস্য বলে দাবি করেন

👉 তাঁর বক্তব্য—
✔️ মাত্র ৭ দিনের প্রস্তুতি
✔️ ইনস্টাগ্রাম প্রচারে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণ

⚠️ উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা

👉 পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন—

  • এক ব্যক্তিকে বিজেপি সমর্থক বলে অভিযোগ তুলে লক্ষ্য করা হয়
  • তাঁর দিকে জুতো ও পানির বোতল ছোঁড়া হয়

👉 পুলিশ এলে—
✔️ পুলিশের দিকেও বোতল ছোঁড়া হয়
✔️ পরিস্থিতি সামলাতে লাঠিচার্জের চেষ্টা করা হয়

🚨 ‘বহিরাগত’ ইস্যুতে বিতর্ক

👉 আয়োজকদের অভিযোগ—
✔️ এই বিশৃঙ্খলার জন্য বহিরাগতরাই দায়ী
✔️ এর ফলে আসল প্রতিবাদ ও যুবকদের ক্ষোভ আড়াল হয়ে গেছে

🌟 কেন এই আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ?

  • জেন জি-র নতুন ধরনের প্রতিবাদ
  • সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল প্রভাব
  • বিনোদন ও প্রতিবাদের মিশ্রণ
  • প্রচলিত রাজনীতির বাইরে নতুন ধারা

✅ উপসংহার:

ধর্মতলার এই ‘ককরোচ’ আন্দোলন দেখিয়ে দিল—
👉 নতুন প্রজন্ম তাদের কথা বলার জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ বেছে নিচ্ছে।

🎯 ভবিষ্যতে এই ধরনের ডিজিটাল ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Leave a comment