জামুড়িয়া: পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ায় সিংরান নদীকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইসিএল-এর কুনুস্তোরিয়া এলাকার অন্তর্গত পরাসিয়া কোলিয়ারি সংলগ্ন এলাকায় চলা এমডিও (মাইন ডেভেলপার অ্যান্ড অপারেটর) প্রকল্পকে কেন্দ্র করে এই অভিযোগ উঠেছে।
👉 অভিযোগ, প্রকল্পের কাজের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও প্রাকৃতিক গঠন পরিবর্তন করা হচ্ছে।
⚠️ যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে নিশ্চিতকরণ এখনও সম্ভব হয়নি এবং প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইসিএল কর্তৃপক্ষের কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
⚠️ নদীর গতিপথ বদলের অভিযোগ
স্থানীয় বাসিন্দা ও একটি সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান—
👉 একাধিক জেসিবি মেশিন ব্যবহার করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে
👉 নদীর উপর দিয়ে একটি অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করে তা ব্যবহৃত হচ্ছে
👉 তাদের আশঙ্কা, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে নদীর অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়তে পারে।
🌿 আদিবাসী সমাজের সঙ্গে গভীর যোগ
স্থানীয়দের মতে—
👉 সিংরান নদী শুধুমাত্র একটি জলধারা নয়
👉 এটি এলাকার আদিবাসী সমাজের জীবন, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ
👉 ফলে নদীর উপর যে কোনও হস্তক্ষেপকে তারা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছেন।
📢 আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
এই ইস্যুতে পশ্চিম বঙ্গ বাউরি সমাজ শিক্ষা সমিতি কড়া অবস্থান নিয়েছে।
👉 সমিতির জামুড়িয়া বিধানসভা সমন্বয়ক আকাশ বাউরি সামাজিক মাধ্যমে জানান—
“যদি নদীর সঙ্গে এই ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধ না হয়, তবে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
👉 ইতিমধ্যেই ‘নদী বাঁচাও’ দাবিতে আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
🚨 প্রশাসনের কাছে তদন্তের দাবি
👉 স্থানীয়দের প্রধান দাবি—
✔️ পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক
✔️ প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে আনা হোক
✔️ দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক
❓ এখনও নীরব কর্তৃপক্ষ
👉 প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত—
- ইসিএল কর্তৃপক্ষ
- সংশ্লিষ্ট এমডিও সংস্থা
- জেলা প্রশাসন
👉 কেউই এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
👉 ফলে অভিযোগগুলি এখনও যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
🌟 কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?
- পরিবেশ ও নদী রক্ষার প্রশ্ন
- আদিবাসী সমাজের আবেগ জড়িত
- বড় শিল্প প্রকল্পের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক
- সম্ভাব্য গণআন্দোলনের ইঙ্গিত
✅ উপসংহার:
জামুড়িয়ার সিংরান নদীকে ঘিরে এই বিতর্ক দেখিয়ে দিচ্ছে—
👉 উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি।
🎯 এখন সকলের নজর প্রশাসনের দিকে—তারা কীভাবে এই সংবেদনশীল বিষয়টি সামাল দেয় এবং সত্য সামনে নিয়ে আসে।

