অবশেষে সম্মান! কুলটিতে উন্মোচিত স্যার বিরেন মুখার্জির মূর্তি, প্রশ্ন তুললেন মন্ত্রী

পশ্চিম বর্ধমান: শিল্প জগতের অন্যতম পথপ্রদর্শক স্যার বিরেন মুখার্জির মূর্তি শনিবার কুলটিতে উন্মোচন করা হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার এবং কুলটির সেল-ইস্কো কারখানার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অনিল কুমার সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

মূর্তি উন্মোচনের পর মন্ত্রী অজয় পোদ্দার প্রশ্ন তোলেন, এমন এক মহান শিল্প ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানাতে এত দীর্ঘ সময় কেন অপেক্ষা করতে হল। তাঁর বক্তব্য, স্যার বিরেন মুখার্জির অবদান শুধু একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের শিল্পোন্নয়নের ইতিহাসে তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

📌 ভারতের ইস্পাত শিল্পের অন্যতম স্থপতি
স্যার বিরেন মুখার্জিকে ভারতের ইস্পাত শিল্পের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব কুলটির ইস্কো কারখানা এবং বর্ণপুরের ইস্পাত শিল্পকে নতুন গতি দেয়।

📌 আধুনিক শিল্প ব্যবস্থার সূচনা
তাঁর উদ্যোগে এই অঞ্চলে আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, যার ফলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি শিল্প নগরী হিসেবে কুলটি ও বর্ণপুরের অবকাঠামো উন্নয়নও দ্রুত এগিয়ে যায়।

📌 কুলটি-বর্ণপুরের পরিচয় গড়ে তোলা
আজ কুলটি ও বর্ণপুর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্পাত উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই পরিচয়ের পেছনে স্যার বিরেন মুখার্জির অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর প্রচেষ্টা ছাড়া এই শিল্পনগরীগুলির অস্তিত্ব কল্পনা করা কঠিন।

📌 নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা বলেন, স্যার বিরেন মুখার্জির জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনন্য প্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা আজও শিল্প জগতকে পথ দেখাচ্ছে।

🎯 শ্রদ্ধা ও গর্বের মুহূর্ত
এই মূর্তি উন্মোচন শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক মহান ব্যক্তিত্বের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁর অবদান সম্পর্কে জানার এবং অনুপ্রাণিত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এই অনুষ্ঠান আবারও মনে করিয়ে দিল—যাঁরা দেশের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখেন, তাঁদের নাম ইতিহাসে চিরকাল অমর হয়ে থাকে।

Leave a comment