আসানসোল: আসানসোল পৌরনিগমের অন্তর্গত মাণ্ডেহমো এলাকায় হঠাৎ করেই উত্তেজনার পারদ চড়ে গিয়েছে। ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ECL)-এর পক্ষ থেকে রোহিত নোনিয়ার পেট্রোল পাম্প এবং সংলগ্ন ‘রাহুল এন্টারপ্রাইজ’ অফিসের সামনে একটি নোটিস টাঙানোকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট জমি বা স্থাপনা নিয়ে কিছু অভিযোগ বা প্রশাসনিক বিষয়ের প্রেক্ষিতে এই নোটিস জারি করা হয়েছে। নোটিসে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তবে ঠিক কী কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত ইসিএল-এর তরফে কোনও বিস্তারিত সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রোহিত নোনিয়া হলেন প্রাক্তন ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা সঞ্জয় নোনিয়ার পিতা। সম্প্রতি সঞ্জয় নোনিয়ার পদত্যাগের পর থেকেই এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। তারই মধ্যে এই নোটিস জারি হওয়ায় রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা ও আলোচনা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, “এটা শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ, না এর পেছনে অন্য কোনও বড় কারণ রয়েছে—তা সময়ই বলবে।” অনেকেই আবার মনে করছেন, এই ঘটনায় আগামী দিনে বড়সড় তদন্ত বা আইনি পদক্ষেপও দেখা যেতে পারে।
এদিকে, এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
বর্তমানে সবার নজর এখন সেই সাত দিনের ডেডলাইনের দিকে—এই সময়সীমার মধ্যে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং তার প্রভাব কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাণ্ডেহমো থেকে আসানসোল শহরজুড়ে চর্চা তুঙ্গে।















