সোনারপুর, ৩০ মে ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুর-এ এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি ভোট পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, তিনিই পথে পড়লেন বিক্ষোভ ও হামলার মুখে।
🚨 পথেই ঘেরাও, শুরু মারধর
শনিবার চারচাকা গাড়ি ছেড়ে বাইকে করে এগোচ্ছিলেন অভিষেক। মৃত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকার-এর বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষোভকারীরা তাঁকে ঘিরে ফেলে।
👉 ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের অভিযোগ
👉 মাথা, ঘাড় ও শরীরে আঘাত
👉 বাইক ভাঙচুর
এই হামলায় তাঁর জামা ছিঁড়ে যায় এবং চশমা ভেঙে যায় বলে জানা গেছে।
🪖 হেলমেট পরে এগিয়ে চলা
উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হাল ছাড়েননি। তিনি ক্রিকেটের হেলমেট পরে এগিয়ে যেতে থাকেন।
👉 ডিম ও জুতো ছোঁড়ার অভিযোগ
👉 ‘চোর চোর’ স্লোগানে মুখর এলাকা
👉 অবিরাম বাধার মধ্যেও যাত্রা অব্যাহত
শেষ পর্যন্ত তিনি পায়ে হেঁটেই সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে পৌঁছন।
🚩 পথে পথে প্রতিবাদ
সূত্রের খবর, অভিষেকের আগমনের আগেই বিভিন্ন জায়গায় মহিলারা হাতে ডিম নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অন্যদিকে কিছু জায়গায় বিজেপি সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেন।
👉 তিনটি বাইকের কনভয়
👉 মাঝের বাইকের পিছনে ছিলেন অভিষেক
👉 বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া ও হামলা
🗣️ “আমাকে মারতে চাইলে মারুন”
সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে পৌঁছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আবেগঘন বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন—
👉 “হেলমেট থাকার জন্যই আমার মাথা বেঁচে গেছে।”
👉 “আমার চশমা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।”
👉 “আমাকে মারতে চাইলে মারুন, আমি এখান থেকে যাব না।”
তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, তাঁর চলে যাওয়ার পর সঞ্জু কর্মকারের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের উপর হামলা হতে পারে।
⚠️ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
অভিষেক অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় সেখানে কোনও পুলিশ উপস্থিত ছিল না।
👉 এসপি ও আইসি-কে খবর দেওয়ার দাবি
👉 এখনও পর্যন্ত পুলিশ না পৌঁছানোর অভিযোগ
👉 হাইকোর্ট ও রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা
📌 উপসংহার
সোনারপুরের এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। একদিকে তৃণমূল এটিকে গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে বিরোধীরা বলছে এটি জনরোষের বহিঃপ্রকাশ। এখন নজর প্রশাসনের পদক্ষেপ ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর।















