পশ্চিম বর্ধমানের রানীগঞ্জ শিল্পাঞ্চল আজ গর্বিত এক ছোট্ট প্রতিভাকে নিয়ে। মাত্র ১০ বছর বয়সেই নিজের সুমধুর কণ্ঠে ভজন গেয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে ছোট্ট দুর্গা নাগ।
রানীগঞ্জ থানার রাজবাড়ি এলাকার বাবুপাড়ার বাসিন্দা দুর্গা এখন এলাকার এক পরিচিত মুখ। ছোট বয়সেই তার প্রতিভা যে উচ্চতায় পৌঁছেছে, তা সত্যিই বিস্ময়কর।
🎶 ভজনেই জনপ্রিয়তার শিখরে
বর্তমানে সিয়াড়শোল গার্লস হাই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী দুর্গা ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতপ্রেমী।
👉 ভজন গানের প্রতি তার আলাদা ভালোবাসা
👉 “আজা মেরি কানহাইয়া বিন মাঝি কে সহারে”
👉 “তিন বানকে ধারি তিনবান চালাও না মাত”
এই গানগুলি ইতিমধ্যেই মানুষের মুখে মুখে ফিরছে।
🛕 মন্দিরে উপচে পড়া ভিড়
রানীগঞ্জের বাবা খাটু শ্যাম মন্দিরে যখনই দুর্গা গান গায়—
👉 ভক্তদের ঢল নামে
👉 মন্দির প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে ভক্তিময় পরিবেশে
👉 দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হয়ে শোনেন তার গান
মন্দির কমিটির সদস্যরাও তার প্রতিভার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
🌟 এক বছরে ১০০-র বেশি ভজন
👉 গত এক বছরে ১০০-রও বেশি ভজন পরিবেশন
👉 পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত সঙ্গীতচর্চা
👉 প্রতিটি পরিবেশনায় নতুন আবেগ ও দক্ষতা
💔 সীমিত সামর্থ্য, অদম্য ইচ্ছাশক্তি
দুর্গার পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব শক্তিশালী নয়, কিন্তু—
👉 বাবা-মা কখনও হাল ছাড়েননি
👉 মেয়ের স্বপ্ন পূরণে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন
👉 প্রতিভাকে বড় মঞ্চে পৌঁছে দিতে সবরকম সহায়তা করছেন
দুর্গার বাবা সন্দ্বীপ নাগ জানান,
তিনি নিজেও একসময় বাউল গান গাইতেন, কিন্তু জীবনের চাপে স্বপ্ন থেমে যায়। এখন তিনি চান তার মেয়েরা সেই স্বপ্ন পূরণ করুক।
🤝 সমাজের সহযোগিতায় এগিয়ে চলা
দুর্গার প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে এগিয়ে এসেছেন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা—
👉 পবন কেজরিওয়াল
👉 বিষ্ণু সরাফ
👉 বিমল সরাফ
👉 বিনোদ বানসাল
👉 পাপ্পু মাটলিয়া
👉 ব্রিজেশ আগারওয়াল
👉 সন্দীপ শর্মা
তাঁদের সহযোগিতা দুর্গার পথচলাকে আরও মজবুত করেছে।
🎤 আসছে নতুন ভজন
খুব শীঘ্রই মুক্তি পেতে চলেছে দুর্গা নাগের নতুন ভজন—
👉 “দো বুন্দ কা খাজানা”
এই গান ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় উত্তেজনা তুঙ্গে।
📌 উপসংহার
মাত্র ১০ বছর বয়সে যে প্রতিভার ঝলক দেখাচ্ছে দুর্গা নাগ, তা ভবিষ্যতের বড় সাফল্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
👉 রানীগঞ্জবাসীর গর্ব এই ছোট্ট শিল্পী
👉 বড় মঞ্চে পৌঁছনোর স্বপ্ন এখন আর দূরে নয়
সময়ই বলবে, এই নান্নি কণ্ঠ একদিন কত বড় আকাশ ছুঁয়ে ফেলবে।















