দেশজুড়ে আবারও বেড়েছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম, আর তাতেই চাপে পড়েছে সাধারণ মানুষ। টানা ১০ দিনের মধ্যে তৃতীয়বার জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে কলকাতা ও নয়াদিল্লি-সহ বড় শহরগুলিতে।
⛽ ১০ দিনে তৃতীয়বার দাম বৃদ্ধি
শনিবার সকালে নতুন দরে—
👉 পেট্রোল প্রতি লিটার ৮৭ পয়সা বেড়েছে
👉 ডিজেল প্রতি লিটার ৯১ পয়সা বৃদ্ধি
এর আগে ১৫ মে এক ধাক্কায় ৩ টাকা দাম বাড়ে এবং ১৯ মে আবার প্রায় ৯০ পয়সা বৃদ্ধি হয়। ফলে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে পেট্রোলের দাম প্রায় ৫ টাকা বেড়ে গেছে।
📍 কলকাতায় পেট্রোল ১১০.৬৪ টাকা
কলকাতায় নতুন দামে—
👉 পেট্রোল: ১১০.৬৪ টাকা প্রতি লিটার
👉 ডিজেল: ৯৭.০২ টাকা প্রতি লিটার
জ্বালানির দাম বাড়ায় ব্যক্তিগত গাড়ি চালানো যেমন ব্যয়বহুল হচ্ছে, তেমনি বাস, ট্যাক্সি ও অটোর ভাড়াও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🚗 দিল্লিতে নতুন দাম
নতুন সংশোধিত দরে নয়াদিল্লি-তে—
👉 পেট্রোল: ৯৯.৫১ টাকা প্রতি লিটার
👉 ডিজেল: ৯২.৪৯ টাকা প্রতি লিটার
রাজধানীতেও পরিবহন খরচ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
🌍 পশ্চিম এশিয়া সংকটের প্রভাব
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি। পশ্চিম এশিয়া-তে চলমান অস্থিরতার কারণে কাঁচা তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
👉 ভারতসহ বহু দেশ জ্বালানির জন্য আমদানির উপর নির্ভরশীল
👉 আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেই তার প্রভাব পড়ে দেশীয় বাজারে
ফলে সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ পড়ছে।
🗣️ প্রধানমন্ত্রীর আবেদন
এই পরিস্থিতিতে নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়েছেন।
👉 অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি ব্যবহার কমানোর পরামর্শ
👉 বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার রক্ষায় সহযোগিতার আবেদন
👉 এক বছরের জন্য সোনা না কেনার পরামর্শও দিয়েছেন
🚕 দিল্লিতে সিএনজি-র দামও বৃদ্ধি
দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় সিএনজি-র দামও বেড়েছে—
👉 প্রতি কেজিতে ১ টাকা বৃদ্ধি
👉 দিল্লিতে নতুন দাম: ৮১.০৯ টাকা
👉 নয়ডা ও গাজিয়াবাদে: ৮৯.৭০ টাকা
অটোচালকদের খরচ বাড়ায় যাত্রীভাড়াও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
⚠️ সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ
জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে—
👉 পরিবহন খরচ বৃদ্ধি
👉 বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ার আশঙ্কা
👉 মধ্যবিত্ত পরিবারের বাজেটে চাপ
🔍 উপসংহার
ক্রমাগত জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এখন সাধারণ মানুষের জন্য বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
👉 সামনে কি আরও বাড়বে দাম?
👉 সরকার কি কোনও স্বস্তি দেবে?
এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও অনিশ্চিত, তবে আপাতত স্বস্তির বদলে দুশ্চিন্তাই বাড়ছে দেশজুড়ে।















