কলকাতা:
পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে চলা মামলায় বৃহস্পতিবার নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যখন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই আইনজীবীর ভূমিকায় কলকাতা হাইকোর্ট-এ হাজির হন। আদালতের ভিতরে তাঁর যুক্তি এবং বাইরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান—সব মিলিয়ে দিনভর তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়।
⚖️ আদালতে কী বললেন মমতা?
👉 প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেন-এর বেঞ্চে সওয়াল করেন
👉 দাবি করেন, ভোটের ফল ঘোষণার পর ২০০০-রও বেশি হিংসার ঘটনা ঘটেছে
👉 নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের উপর হামলার অভিযোগ তোলেন
মমতা বলেন—
👉 “এই রাজ্যের মানুষকে বাঁচান, এটি কোনও বুলডোজার রাজ্য নয়, এটি পশ্চিমবঙ্গ।”
📑 মামলার পটভূমি
👉 জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষান্য বন্দ্যোপাধ্যায়
👉 তিনি তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পুত্র
👉 আদালতে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
😡 আদালতের বাইরে উত্তেজনা
👉 শুনানি শেষে বেরোতেই শুরু হয় বিক্ষোভ
👉 কিছু আইনজীবী ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন
👉 পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে
মমতার অভিযোগ—
👉 তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে
👉 “আমাকে মারধর করা হয়েছে” বলে মন্তব্য করেন
🛑 হাইকোর্টের নির্দেশ
আদালত স্পষ্টভাবে জানায়—
👉 আইনশৃঙ্খলা কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে
👉 রাজনৈতিক কারণে উচ্ছেদ হওয়া মানুষদের বাড়িতে ফিরিয়ে দিতে হবে
👉 সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
🗣️ রাজ্যের পক্ষের যুক্তি
রাজ্যের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী বলেন—
👉 অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই
👉 ২০০০ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি
👉 পুলিশ সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছে
🔥 রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
👉 তৃণমূল নেতারা ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন
👉 মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, এটি গণতন্ত্রের উপর আঘাত
👉 বিধায়ক কুণাল ঘোষ বিরোধীদের দায়ী করেছেন
⏳ পরবর্তী পদক্ষেপ
👉 ৫ সপ্তাহ পর পরবর্তী শুনানি
👉 সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে
👉 পরে সিদ্ধান্ত হবে বড় বেঞ্চে যাবে কি না
🔍 উপসংহার
এই মামলাটি এখন শুধু আইনি লড়াই নয়, রাজনৈতিক সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
👉 আদালতের ভিতরে যুক্তি
👉 বাইরে রাজনৈতিক উত্তেজনা
❗ আগামী দিনে এই মামলার প্রভাব রাজ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।















