কলকাতা:
সোনাপাপ্পু কাণ্ডে বড়সড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাস-কে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
⏱️ ১০ ঘণ্টারও বেশি জেরা, তারপর গ্রেফতার
👉 বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্সে জেরা শুরু
👉 টানা ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে প্রশ্নোত্তর
👉 রাত সাড়ে ৯টার পর গ্রেফতার করা হয়
শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গেছে।
⚠️ বারবার সমন এড়ানোর অভিযোগ
ইডি সূত্রে জানা গেছে—
👉 একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজির হননি
👉 বারবার তদন্ত এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন
👉 সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা হয়
🔍 একাধিক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ
👉 শুধু সোনাপাপ্পু মামলাই নয়
👉 কলকাতা ও দিল্লির ইডি অফিস থেকে বিভিন্ন মামলায় ডাকা হয়েছিল
👉 এক ক্ষেত্রে তিনি কলকাতা হাইকোর্ট-এর দ্বারস্থও হন
🏠 বাড়িতে তল্লাশি ও নতুন তথ্য
👉 গত মাসে ফার্ন রোডের বাড়িতে ইডির অভিযান
👉 দীর্ঘ সময় ধরে চলে তল্লাশি
👉 গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার
ব্যবসায়ী জয় কামদার-এর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতেও শান্তনুর নাম উঠে আসে।
💰 আর্থিক লেনদেনের যোগসূত্র
সূত্রের দাবি—
👉 সোনাপাপ্পু ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ
👉 তদন্তে মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক
👉 এই সূত্র ধরেই জেরা আরও গভীর হয়
👨👦 পরিবারকেও তলব
👉 শান্তনুর দুই ছেলে—সায়ন্তন ও মনীশকেও ডাকা হয়েছিল
👉 তবে নির্ধারিত দিনে কেউই হাজির হননি
⛔ বালু পাচার মামলাতেও তলব
👉 এপ্রিল মাসে বালু পাচার মামলায়ও ডাকা হয়
👉 সেখানেও তিনি হাজির হননি
👉 তাঁর আইনজীবী ইডি অফিসে উপস্থিত হন
🔥 নির্বাচন শেষে বাড়ল চাপ
👉 নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর চাপ বাড়ে
👉 বৃহস্পতিবার তিনি অবশেষে ইডি দফতরে হাজির হন
👉 দীর্ঘ জেরার পর রাতেই গ্রেফতার
😮 বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে—
👉 রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া
👉 প্রশাসনিক স্তরে চাপ
👉 বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক
🔍 উপসংহার
সোনাপাপ্পু মামলায় শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের গ্রেফতার নতুন মোড় এনে দিয়েছে তদন্তে।
👉 সামনে আরও বড় নাম সামনে আসতে পারে
👉 তদন্ত আরও জোরদার হবে
❗ এখন সবার নজর আদালত ও ইডির পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।














