নয়াদিল্লি:
দেশে সোনা ও রূপো কেনা এখন আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। ভারতের অর্থ মন্ত্রক একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে এই দুই মূল্যবান ধাতুর উপর আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করেছে।
💰 কতটা বাড়ল শুল্ক?
সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী—
👉 সোনার উপর বেসিক কাস্টমস ডিউটি ৫% থেকে বাড়িয়ে ১০% করা হয়েছে
👉 এর সঙ্গে ৫% কৃষি সেস যোগ করা হয়েছে
👉 ফলে মোট কার্যকর আমদানি শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৫%
আগে যেখানে এই শুল্ক ছিল মাত্র ৬%, সেখানে হঠাৎ এই বৃদ্ধি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
📅 কবে থেকে কার্যকর?
👉 নতুন শুল্ক কাঠামো ১৩ মে ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে
👉 আগামী দিনগুলিতে সোনা ও রূপোর দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যেতে পারে
🎯 কেন এই সিদ্ধান্ত?
কেন্দ্রের মতে—
👉 বিদেশ থেকে সোনা কেনা কমানোই প্রধান লক্ষ্য
👉 দেশের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষা করা জরুরি
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি, বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার প্রেক্ষিতে
👉 অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
🗣️ প্রধানমন্ত্রীর বার্তা
সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন—
👉 আপাতত সোনা কেনার ক্ষেত্রে সংযম বজায় রাখতে
সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সেই বার্তারই সম্প্রসারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
📊 ভারতে সোনার চাহিদা
👉 ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সোনা ব্যবহারকারী দেশ
👉 প্রতি বছর প্রায় ৬০০ থেকে ৮০০ টন সোনার চাহিদা থাকে
👉 ২০২৫ সালে চাহিদা: প্রায় ৭১০.৯ টন
👉 ২০২৬-এর প্রথম ত্রৈমাসিক: কমে প্রায় ১৫১ টন
এই পতন বাজারে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
🌍 আমদানির উপর নির্ভরতা
👉 দেশের অধিকাংশ সোনা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়
👉 ফলে আমদানি কমলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব
সরকারি তথ্য অনুযায়ী—
👉 ২০২৪-২৫: সোনা আমদানিতে খরচ প্রায় ₹৪.৮৯ লক্ষ কোটি
👉 ২০২৫-২৬: বেড়ে প্রায় ₹৬.৪০ লক্ষ কোটি
এতে দেশের বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে।
📉 সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে—
👉 দাম বাড়লে সোনার চাহিদা কিছুটা কমতে পারে
👉 তবে ভারতে সোনা শুধুই বিনিয়োগ নয়, ঐতিহ্যের অংশ
👉 দেশের মোট সোনার প্রায় ৭৫-৮০% গয়না হিসেবে মানুষের কাছে রয়েছে
তাই
👉 দামের ওঠানামা সত্ত্বেও এর ব্যবহার পুরোপুরি কমবে না
⚠️ সামনে কী হতে পারে?
👉 বাজারে সোনার দাম বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল
👉 বিনিয়োগকারীরা বিকল্প পথে ঝুঁকতে পারেন
সরকারের আশা—
👉 এই সিদ্ধান্তে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে
👉 এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে
সব মিলিয়ে, এই সিদ্ধান্ত সরাসরি প্রভাব ফেলতে চলেছে সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে পুরো বাজার ব্যবস্থার উপর।















