রবীন্দ্র জয়ন্তীতে সুর-ছন্দে মাতল বাংলা, সর্বত্র সাংস্কৃতিক উৎসব

single balaji

পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে শুরু হয়েছে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক উৎসব। বাঙালির আত্মার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর জন্মজয়ন্তী ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যাচ্ছে উৎসাহ ও আবেগের মিলিত রূপ।

রাজ্যের নানা প্রান্তে গান, নাচ, আবৃত্তি ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের অসামান্য সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। বিশেষ করে পশ্চিম বর্ধমান জেলায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একাধিক স্থানে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান।

জেলা শাসক এস. পন্নাবালম জানান, এই অনুষ্ঠানগুলির মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে রবীন্দ্রনাথের চিন্তাধারা, সাহিত্য ও সঙ্গীতকে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্কুল, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে আয়োজিত এই কর্মসূচিগুলিতে অংশ নিচ্ছেন অসংখ্য মানুষ।

এদিন বিভিন্ন মঞ্চে বেজে উঠেছে রবীন্দ্রসঙ্গীত, আবৃত্তি হয়েছে তাঁর অমর কবিতা, আর নাট্য পরিবেশনায় ফুটে উঠেছে তাঁর জীবনের নানা দিক। শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষই এই উৎসবে অংশ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের প্রতি তাঁদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

স্থানীয়দের মতে, রবীন্দ্র জয়ন্তী শুধু একটি স্মরণোৎসব নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, অনুভূতি ও পরিচয়ের প্রতীক। এই দিনটি মানুষকে আবারও স্মরণ করিয়ে দেয় মানবতা, সৌন্দর্যবোধ ও সৃজনশীলতার সেই অমূল্য শিক্ষা, যা রবীন্দ্রনাথ তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে দিয়ে গেছেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কবি গুরুকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়েছে এবং তাঁর অবদানকে গভীরভাবে স্মরণ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, রবীন্দ্রনাথের আদর্শ আজও সমাজকে পথ দেখায় এবং আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।

সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গে রবীন্দ্র জয়ন্তীর এই উৎসব শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এক সাংস্কৃতিক জাগরণ—যেখানে অতীত ও বর্তমান একসূত্রে গাঁথা হয়ে এক অনন্য আবহ তৈরি করেছে।

ezgif 22b6a523914e707e
ghanty

Leave a comment