আসানসোল/পশ্চিম বর্ধমান: ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিকে ঘিরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিম বর্ধমান জেলার রাজনৈতিক পরিবেশ। তৃণমূল কংগ্রেস গুরুতর অভিযোগ তুলে দাবি করেছে, জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ১০০০-রও বেশি তৃণমূল কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে আতঙ্কে বহু কর্মী ঘরছাড়া হতে বাধ্য হয়েছেন।
⚠️ হামলার অভিযোগে চাঞ্চল্য
তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী—
👉 পরিকল্পিতভাবে দলীয় কর্মীদের টার্গেট করা হয়েছে
👉 একাধিক এলাকায় কর্মীদের ওপর শারীরিক আক্রমণ ও হুমকি দেওয়া হয়েছে
👉 পরিস্থিতির ভয়ে অনেকেই নিজেদের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য
➡️ এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের উপর আঘাত বলেই দাবি দলের
🔥 দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আগুন
👉 অভিযোগ উঠেছে, জেলার বিভিন্ন জায়গায়
👉 তৃণমূলের দলীয় অফিসে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও জোর করে দখল করা হয়েছে
➡️ ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বেড়ে গিয়েছে
📄 কমিশনারেটে স্মারকলিপি জমা
এই ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা—
👉 প্রাক্তন মন্ত্রী মলয় ঘটক
👉 জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
👉 প্রাক্তন বিধায়ক বিধান উপাধ্যায়
👉 এবং হরে রাম সিং
📍 আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট-এ উপস্থিত হয়ে
➡️ পুলিশের কাছে লিখিত স্মারকলিপি জমা দেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান
🗣️ মলয় ঘটকের বিস্ফোরক দাবি
প্রাক্তন আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক অভিযোগ করেন—
👉 “ভোটের পর সংগঠিতভাবে তৃণমূল কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে”
👉 “এই ঘটনাগুলির বিরুদ্ধে আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি”
➡️ পাশাপাশি তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তোলেন
🚨 রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে
👉 ঘটনার পর থেকেই আসানসোল-দুর্গাপুর সহ গোটা জেলায়
👉 রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে
➡️ সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে
🔎 প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
👉 বিরোধীরা যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করছে
👉 তবে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
🔚 শেষকথা:
পশ্চিম বর্ধমানের এই ঘটনায় স্পষ্ট—
👉 ভোটের পরও থামছে না রাজনৈতিক সংঘর্ষ
এখন সবার নজর প্রশাসনের দিকে—এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হবে, নাকি রাজনৈতিক চাপেই চাপা পড়ে যাবে গোটা বিষয়টি?















