আসানসোলের ADDA ময়দান থেকে মমতার হুঙ্কার—“বাংলা থেকে বিজেপিকে বিদায় দিতেই হবে!”

single balaji

আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান: নির্বাচনের উত্তাপে কার্যত ফুঁসছে আসানসোল। এই আবহেই ADDA ময়দানে আয়োজিত বিশাল জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিকে যেমন ৯ জন বিধানসভা প্রার্থীর সমর্থনে ভোটের আবেদন জানান, তেমনই অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি-র বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান।

“বাংলা থেকে বিজেপিকে বিদায় দিতেই হবে”

সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় বলেন—

👉 “এই রাজ্য থেকে বিজেপিকে বিদায় দেওয়া এখন সময়ের দাবি”
👉 বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে ইডি ও সিবিআই-এর ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হবে

তার অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার চেষ্টা চলছে।

🗳️ SIR বিতর্কে বিস্ফোরক দাবি

ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বড় অভিযোগ তোলেন—

👉 প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে
👉 যার মধ্যে ৬০ লক্ষ হিন্দু ও ৩০ লক্ষ মুসলিম

তিনি জানান, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যান। এরপর—

👉 ৩০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম পুনরায় তালিকাভুক্ত করা হয়

তিনি আশ্বাস দেন, কোনওভাবেই কোনও ভোটারের নাম কাটা হতে দেওয়া হবে না।

🕌 ধর্মীয় ঐক্যের বার্তা

সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকল ধর্মের প্রতি সম্মান জানিয়ে উচ্চারণ করেন—

👉 “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”
👉 “ছট মাইয়ার জয়”
👉 “ওয়াহেগুরু দি খালসা”
👉 “জয় জোহার”

এই বার্তার মাধ্যমে তিনি বাংলার বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির দিকটিকেই তুলে ধরেন।

🎯 প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-কে নিশানা করে তিনি বলেন—

👉 বিজেপি সভায় টাকা দিয়ে ভিড় আনে
👉 অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পদযাত্রার মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছায়

👩‍🦰 মহিলাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন

কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন—

👉 মহিলাদের জন্য যে মাসিক আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি
👉 দিল্লিতে ঘোষিত প্রকল্প কাগজেই রয়ে গেছে

🌆 “সোনার বাংলা” বনাম বাস্তবতা

তিনি কটাক্ষ করে বলেন—

👉 বিজেপি “সোনার বাংলা”-র স্বপ্ন দেখায়
👉 কিন্তু বাস্তবে বাংলার উন্নয়নে কোনও দৃশ্যমান কাজ করেনি

এছাড়াও তার অভিযোগ—
👉 বিজেপি সমাজকে বিভক্ত করার রাজনীতি করে
👉 নির্বাচনের সময় ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চালায়

🚨 দিল্লি অভিযান—রাজনীতিতে বড় ইঙ্গিত

সভা শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন—

👉 বাংলার নির্বাচন শেষ হলেই তিনি দিল্লি যাবেন
👉 এবং দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনার জন্য প্রস্তুত

🔍 রাজনৈতিক বার্তা কী?

বিশ্লেষকদের মতে—

👉 আসানসোলের এই জনসভা তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শনের বড় মঞ্চ
👉 ভোটার তালিকা ইস্যু ও কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত এবার নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হতে চলেছে

🔥 সব মিলিয়ে, ADDA ময়দানের এই সভা শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়—এটি ছিল এক শক্তিশালী বার্তা, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিলেন যে এই লড়াই কেবল ভোটের নয়, বাংলার ভবিষ্যৎ ও দেশের রাজনীতির দিকনির্দেশ নির্ধারণেরও।

ezgif 29eaedc5d8afccea
ghanty

Leave a comment