রানিগঞ্জ: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে রানিগঞ্জ-এ একটি নির্বাচনী সভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।
তিনি বিজেপি প্রার্থী পার্থ ঘোষ-এর সমর্থনে এই জনসভায় ভাষণ দেন এবং সরাসরি নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকারকে।
⚡ নারী নিরাপত্তা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেখা গুপ্তা বলেন—
👉 “পশ্চিমবঙ্গে নারীদের নিরাপত্তা আজ বড় প্রশ্নের মুখে”
👉 রাজ্যে ‘গুন্ডা রাজ’ চলছে বলে অভিযোগ
👉 আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে বলে দাবি
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ এখন নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না এবং রাজ্য সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
🔥 ‘মহিলা সম্মান যোজনা’ নিয়ে পাল্টা আক্রমণ
তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে দিল্লির ‘মহিলা সম্মান যোজনা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রেখা গুপ্তা পাল্টা বলেন—
👉 “আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলুন, ১৫ বছরে তিনি নারীদের জন্য কী করেছেন?”
এই মন্তব্যের পর সভায় উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তুমুল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
🌸 ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের প্রতিশ্রুতি
নিজের বক্তব্যে রেখা গুপ্তা দাবি করেন—
👉 এইবার পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে
👉 মানুষ বিজেপিকে সুযোগ দিতে প্রস্তুত
👉 “এইবার রাজ্যে কমল ফুটবেই”
তিনি বলেন, যদি রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের সরকার গড়ে উঠবে—যা ‘ডাবল ইঞ্জিন’ হিসেবে দ্রুত উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।
👀 সভায় ফাঁকা চেয়ার, উঠছে প্রশ্ন
যদিও সভায় বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস এবং স্লোগান শোনা গেছে, তবুও—
👉 অনেক জায়গায় ফাঁকা চেয়ার চোখে পড়েছে
👉 প্রত্যাশার তুলনায় ভিড় কম ছিল
এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে—এটি কি সংগঠনের দুর্বলতা, নাকি স্থানীয় স্তরে সমর্থনের ঘাটতির ইঙ্গিত?
⚔️ রানিগঞ্জে জমে উঠছে রাজনৈতিক লড়াই
রানিগঞ্জ এখন কার্যত নির্বাচনী যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
👉 ভারতীয় জনতা পার্টি বনাম তৃণমূল কংগ্রেস
👉 অভিযোগ-প্রত্যাঘাতের রাজনীতি তুঙ্গে
🔍 রাজনৈতিক বিশ্লেষণ কী বলছে?
বিশেষজ্ঞদের মতে—
👉 নারী নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা এই নির্বাচনে বড় ইস্যু হতে পারে
👉 তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের ভিড় ও জনসমর্থনই ফলাফল নির্ধারণ করবে
🔥 সব মিলিয়ে, রানিগঞ্জের এই সভা একদিকে যেমন তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণের মঞ্চ হয়ে উঠেছে, তেমনই অন্যদিকে ফাঁকা চেয়ার নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এখন দেখার, ভোটের বাক্সে এর প্রভাব কতটা পড়ে।















