আসানসোল: পশ্চিম বর্ধমানের রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা। সোমবার আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে AIMIM প্রার্থী দানিশ আজিজ মহকুমা শাসক (SDO) দফতরে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন।
এই সময় তাঁর সঙ্গে বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উচ্ছ্বাস ও স্লোগানে পুরো এলাকা কার্যত নির্বাচনী আবহে রঙিন হয়ে ওঠে।
📑 মনোনয়নের পর কী বললেন দানিশ আজিজ?
মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দানিশ আজিজ স্পষ্ট জানান, এবারের নির্বাচনে তিনি সাধারণ মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলিকেই সামনে রেখে লড়াই করছেন।
👉 “বেকারত্ব দূর করা এবং নেশার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানোই আমার প্রথম অগ্রাধিকার,” তিনি বলেন।
🚫 নেশামুক্ত সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি
তিনি উল্লেখ করেন, আসানসোল উত্তর এলাকায় নেশার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে, যা বিশেষ করে যুব সমাজকে বিপথে ঠেলে দিচ্ছে।
👉 “আমরা নেশামুক্ত সমাজ গড়তে বড়সড় উদ্যোগ নেব,” বলে আশ্বাস দেন তিনি।
💼 কর্মসংস্থানের অভাব নিয়ে উদ্বেগ
দানিশ আজিজ বলেন, এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় বহু যুবক ভুল পথে চলে যাচ্ছে।
👉 “চাকরির সুযোগ তৈরি করা এখন সবচেয়ে জরুরি,” তাঁর দাবি।
🚪 ঘরে ঘরে পৌঁছে প্রচার
তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারের সময় তিনি ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন এবং নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
👉 “মানুষ পরিবর্তন চায়, আমি নিশ্চিত তারা আমাদের সমর্থন করবে,” আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন তিনি।
⚔️ শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব
এই প্রসঙ্গে তিনি শাসকদলের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আসানসোল উত্তর প্রকৃত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।
👉 “মৌলিক পরিষেবা ও কর্মসংস্থানের অভাবে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে,” তাঁর অভিযোগ।
📊 রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়?
রাজনৈতিক মহলের মতে, AIMIM-এর এই প্রার্থীতা আসানসোল উত্তরের নির্বাচনী লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। বিশেষ করে যুব ভোটারদের মধ্যে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🚨 বদলের ইঙ্গিত না কি নতুন সমীকরণ?
রোজগার ও নেশামুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে সামনে রেখে মাঠে নেমেছেন দানিশ আজিজ। এখন দেখার বিষয়, এই বার্তা কতটা মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পারে।
আসানসোল উত্তর কি সত্যিই পরিবর্তনের পথে হাঁটবে? তার উত্তর মিলবে ভোটের ফল প্রকাশের দিনেই।















