পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার অন্তর্গত কুল্টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচার ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। এই আবহেই শুক্রবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ জুমার নামাজের পর ওল্ড সীতারামপুর এলাকায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগে নামেন
অভিজিৎ ঘটক।
🕌 মসজিদের সামনে সরাসরি সংলাপ
ওল্ড সীতারামপুরের
মদিনা সুন্নি জামা মসজিদ
থেকে নামাজ শেষে বেরিয়ে আসা মুসল্লিদের সঙ্গে কথা বলেন অভিজিৎ ঘটক।
👉 মানুষের সমস্যার কথা শোনেন
👉 নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন
👉 ভোটের আগে সরাসরি সংযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন
এই সময় এলাকায় স্পষ্টভাবেই নির্বাচনী উত্তাপ লক্ষ্য করা যায়।
🤝 ইমামের সঙ্গে সাক্ষাৎ
জনসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মসজিদের ইমামের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন অভিজিৎ ঘটক।
এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা, কারণ ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রভাব ভোটের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
⚡ এলাকাজুড়ে বাড়ল প্রচার
মসজিদের সামনে জনসংযোগের পর তিনি ওল্ড সীতারামপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার চালান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নির্বাচনী বার্তা পৌঁছে দেন এবং সম্পর্ক আরও মজবুত করার চেষ্টা করেন।
📊 কেন গুরুত্বপূর্ণ এই প্রচার?
কুল্টি বিধানসভা এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
👉 ফলে এই ধরনের সরাসরি জনসংযোগ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
👉 প্রতিটি দলই এই ভোটব্যাঙ্ককে প্রভাবিত করতে সক্রিয়
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঠে নেমে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোই এখন নির্বাচনের মূল কৌশল।
🔍 কী বলছেন রাজনৈতিক মহল?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে—
- তৃণমূল কংগ্রেস তৃণমূল স্তরে নিজেদের শক্তি আরও মজবুত করতে চাইছে
- ধর্মীয় ও সামাজিক জায়গায় সরাসরি উপস্থিতি ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে
- স্থানীয় সংযোগই ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা নেবে
🧨 উপসংহার: মাটির কাছাকাছি রাজনীতি
অভিজিৎ ঘটকের এই জনসংযোগ কর্মসূচি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—এই নির্বাচনে প্রতিটি ভোটই গুরুত্বপূর্ণ।
👉 এখন দেখার বিষয়, এই সরাসরি সংযোগ কি তৃণমূলকে কুল্টি আসনে বাড়তি সুবিধা এনে দেবে, নাকি বিরোধীরা পাল্টা কৌশলে খেলায় মোড় ঘুরিয়ে দেবে।















