কুল্টি/পাণ্ডবেশ্বর: নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে পশ্চিম বর্ধমানে। পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর জনসভা শেষ হতেই ময়দানে নেমে পড়লেন কুল্টি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ ঘটক।
সভা শেষ হওয়ার পর কোনও সময় নষ্ট না করে তিনি সরাসরি নিজের কেন্দ্র কুল্টিতে ফিরে এসে জনসংযোগে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
🚶♂️ লছিপুরে ঘরে ঘরে পৌঁছে জনসংযোগ
কুল্টির লছিপুর এলাকায় অভিজিৎ ঘটক ব্যাপক জনসংযোগ কর্মসূচি চালান।
- স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন
- তাদের সমস্যা ও মতামত শোনেন
- তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সমর্থন চান
- কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করেন
এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করার চেষ্টা স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
🗳️ অভিজিৎ ঘটকের বড় দাবি— “৯টি আসনেই জয়”
জনসংযোগ কর্মসূচি শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ ঘটক বড়সড় দাবি করেন। তিনি বলেন—
👉 “এইবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার ৯টি বিধানসভা আসনেই তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করবে।”
তিনি আরও জানান, মানুষের সমর্থন সম্পূর্ণভাবে তৃণমূলের পক্ষেই রয়েছে এবং ভোটের ফলাফলে তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হবে।
🔥 তৃণমূল কর্মীদের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো
এই সময় এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের সক্রিয়তা বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়।
- বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার
- সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের প্রকল্পের বার্তা পৌঁছে দেওয়া
- নির্বাচনী কৌশল জোরদার করা
সব মিলিয়ে জনসংযোগ কর্মসূচিকে হাতিয়ার করেই ভোটের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।
📊 রাজনৈতিক বিশ্লেষণ: কতটা বাস্তবসম্মত এই দাবি?
রাজনৈতিক মহলের মতে, পশ্চিম বর্ধমানের সবকটি আসনে জয়ের দাবি যথেষ্ট সাহসী পদক্ষেপ। তবে তৃণমূলের সংগঠন ও জনসংযোগ কৌশল যে জোরদার হয়েছে, তা স্পষ্ট।
এখন দেখার বিষয়—
👉 অভিজিৎ ঘটকের এই আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তবে রূপ পায়
👉 নাকি নির্বাচনী লড়াই আরও কঠিন হয়ে ওঠে
সব মিলিয়ে, পাণ্ডবেশ্বরের সভা থেকে কুল্টির জনসংযোগ—এই ধারাবাহিক কর্মসূচি প্রমাণ করছে যে নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস মাঠে নেমে পড়েছে পুরো শক্তি নিয়ে, আর ভোটের লড়াই হতে চলেছে অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ।














