আসানসোল : শহরের মোহিশিলা কলোনির আদি দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বসন্ত উৎসব যেন এক রঙিন সাংস্কৃতিক মিলনমেলার রূপ নেয়। ইন্দ্রনীল ডান্স অ্যাকাডেমির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নৃত্য, সঙ্গীত ও আবেগের মেলবন্ধনে এক মোহময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে তোলে।
🌸 প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত সঞ্জয় সিনহা
এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও ইন্টারন্যাশনাল ইক্যুইটেবল হিউম্যান রাইটস সোশ্যাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সঞ্জয় সিনহা।
👉 আয়োজক ইন্দ্রনীল রায় তাঁকে উত্তরীয় ও স্মারক প্রদান করে সম্মান জানান
👉 উপস্থিত দর্শক ও আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়
🗣️ “উৎসব আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ” — সঞ্জয় সিনহা
নিজের বক্তব্যে সঞ্জয় সিনহা বলেন—
👉 “উৎসব ও অনুষ্ঠান ভারতীয় সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে”
👉 “এগুলি বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক”
👉 “উৎসব আমাদের জীবনে আনন্দ ও নতুন উদ্দীপনা নিয়ে আসে”
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের উৎসব আমাদের সাংস্কৃতিক ও জনজাতিগত ঐতিহ্যকে জীবিত রাখে এবং সমাজের সব স্তরের মানুষকে একত্রিত করে।
💃 নৃত্যে ফুটে উঠল প্রেমের রূপকথা
অনুষ্ঠানে ইন্দ্রনীল রায় ও তাঁর দলের শিল্পীরা মনোমুগ্ধকর ওডিশি নৃত্য পরিবেশন করেন।
👉 “বসন্ত পল্লবী” ও “ললিত লবঙ্গ লতা” পরিবেশনার মাধ্যমে প্রেমের নানা রূপ তুলে ধরা হয়
👉 নৃত্যের লয়, ভঙ্গিমা ও সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে তোলে
🎶 রবীন্দ্রসঙ্গীতে ভরল বসন্তের আবহ
সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা প্রাঙ্গণ।
👉 “ওরে গৃহবাসী”
👉 “নীল দিগন্তে”
👉 “ওরে ভাই ফাগুন”
👉 “দক্ষিণ হাওয়া জাগো”
এই গানগুলি পরিবেশন করেন সোহিনী মুখার্জি ও বিপিন রায়, যা বসন্তের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
🚶 নগর পরিক্রমা ও বিশেষ ঘোষণা
অনুষ্ঠানের আগে একটি বর্ণাঢ্য নগর পরিক্রমা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
👉 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অঞ্জন দে, ঝুম্পা দে, অমিত সিংহ সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি
👉 এই দিনেই ইন্দ্রনীল রায়-কে হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের কালচারাল উইং-এর সিটি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করা হয়
👉 চেয়ারম্যান সঞ্জয় সিনহা তাঁকে প্রয়োজনীয় নথি প্রদান করে শুভেচ্ছা জানান
🙏 ধন্যবাদ জ্ঞাপন
অনুষ্ঠানের শেষে ইন্দ্রনীল রায় সকল অতিথি, শিল্পী ও দর্শকদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আশ্বাস দেন।
📌 উপসংহার:
আসানসোলের এই বসন্ত উৎসব শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি ঐক্য, সংস্কৃতি ও আনন্দের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
👉 এমন অনুষ্ঠান সমাজকে একত্রিত করে এবং নতুন প্রজন্মকে তাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করে।














