কলকাতা : ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে বড় চমক দিয়ে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM) ঘোষণা করেছে যে তারা এবার বাংলায় হুমায়ূন কবীরের ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’-র সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনে লড়বে।
এই ঘোষণা করেন AIMIM-এর সভাপতি আসাদুদ্দিন ওয়াইসি রবিবার। রাজনৈতিক মহলে এই জোট নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
🤝 নতুন জোটে বদলাবে ভোটের সমীকরণ?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জোট মূলত সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ভোটব্যাঙ্ককে লক্ষ্য করেই গড়ে উঠেছে। ফলে একাধিক কেন্দ্রে এর প্রভাব পড়তে পারে এবং প্রচলিত রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে।
📢 ২৫ মার্চ কলকাতায় বড় ঘোষণা
আসাদুদ্দিন ওয়াইসি জানিয়েছেন, তিনি আগামী ২৫ মার্চ কলকাতায় হুমায়ূন কবীরের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করবেন।
👉 এই বৈঠকে জোটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নির্বাচনী কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
⚠️ ৫ লক্ষ OBC সার্টিফিকেট বাতিলের অভিযোগ
ওয়াইসি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেছেন, বাংলায় প্রায় ৫ লক্ষ OBC (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি) সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ের।
👉 এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
🗳️ দুই দফায় ভোটগ্রহণ
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দুই দফায়—
📌 ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
👉 ভোট গণনা হবে ৪ মে, ২০২৬
🔍 রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে
এই জোট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। সমর্থকরা যেখানে এটিকে পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, সেখানে বিরোধীরা একে শুধুমাত্র ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতি বলে কটাক্ষ করছে।
📌 উপসংহার:
আসাদুদ্দিন ওয়াইসি ও হুমায়ূন কবীর-এর এই জোট বাংলার নির্বাচনী রাজনীতিতে একটি বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
👉 এখন দেখার বিষয়, এই নতুন সমীকরণ শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে।














