মহাশিবরাত্রি ঘিরে কড়া নজরদারি, বরাকর ফাঁড়িতে শান্তি কমিটির বৈঠক

single balaji

পশ্চিম বর্ধমান: আসন্ন ১৫ ফেব্রুয়ারি পালিত হতে চলেছে হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব মহাশিবরাত্রি। উৎসবকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং সর্বত্র শান্তি বজায় থাকে, সে লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট।

প্রতিটি বড় উৎসবের আগে বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ি এলাকায় শান্তি কমিটির বৈঠক আয়োজন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় গতরাতে আসানসোলের বরাকর ফাঁড়ি প্রাঙ্গণে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

👮 উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক কর্তারা

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসিপি কুলটি শেখ জাভেদ, বরাকর ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মেঘনাথ মণ্ডল এবং স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়—উৎসব হোক আনন্দের, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

🎶 শোভাযাত্রায় ডিজে ও উত্তেজনামূলক গান নিষিদ্ধ

মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে বের হওয়া শোভাযাত্রা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, শোভাযাত্রায় ডিজে বাজানো যাবে না এবং কোনও রকম উত্তেজনামূলক বা উস্কানিমূলক গান বাজানো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

এছাড়া নির্দিষ্ট রুট মেনে শোভাযাত্রা পরিচালনা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি মেনে চলা এবং নির্ধারিত সময়সীমা মানার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।

🚨 নিরাপত্তায় বাড়তি নজর

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সংবেদনশীল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও মন্দির চত্বরে নজরদারি বাড়ানো হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

🤝 সম্প্রীতির বার্তা

বৈঠকে উপস্থিত সকল প্রতিনিধিই শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখার পক্ষে মত দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সহযোগিতার আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে মহাশিবরাত্রি শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়।

বরাকর এলাকায় এই বৈঠকের পর প্রশাসনের প্রস্তুতি ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির বার্তা পৌঁছেছে। এখন নজর ১৫ ফেব্রুয়ারির দিকে—উৎসব যেন আনন্দমুখর ও নির্বিঘ্ন হয়, সেই প্রত্যাশাই সকলের।

ghanty

Leave a comment