কুলটির হারানো গৌরব ফেরাতে বড় উদ্যোগ, আনন্দ নিকেতনে খেলাধুলার নতুন কেন্দ্র

single balaji

খেলাধুলা ও শারীরিক বিকাশকে সামনে রেখে কুলটি শহরে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হল। ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালের নিকটে যৌথভাবে উদ্বোধন করা হল নবনির্মিত আনন্দ নিকেতন ভবন। এই ভবনের মধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে একটি আধুনিক ও সুসজ্জিত স্পোর্টস কমপ্লেক্স, যা কুলটি এলাকার যুবসমাজের জন্য এক নতুন আশার আলো হয়ে উঠছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইডি অনিল কুমার বলেন, কুলটির একটি গৌরবময় অতীত রয়েছে। একসময় এই এলাকায় সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা ছিল। সেই হারানো ঐতিহ্যকে আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টাই আজকের এই উদ্যোগ। তাঁর কথায়, খেলাধুলা ও শারীরিক উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজকে সুস্থ ও শক্তিশালী করা সম্ভব।

নবনির্মিত আনন্দ নিকেতন ভবনের স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ইনডোর ও আউটডোর—উভয় ধরনের খেলাধুলার আধুনিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, অনুশীলন এবং ফিটনেসের জন্য উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে স্থানীয় প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা নিজেদের দক্ষতা আরও বিকশিত করার সুযোগ পান। ভবিষ্যতে এখান থেকেই জাতীয় স্তরের খেলোয়াড় উঠে আসবে বলে আশাবাদী আয়োজকরা।

এই আনন্দ নিকেতনের মূল লক্ষ্য হল এলাকার যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করা, ক্রীড়া প্রতিভাকে শাণিত করা এবং তাদের জাতীয় স্তরে পৌঁছনোর জন্য একটি মজবুত মঞ্চ তৈরি করা। খেলাধুলার পাশাপাশি এখানে একটি আধুনিক গ্রন্থাগারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যা বৌদ্ধিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। সব মিলিয়ে আনন্দ নিকেতন কুলটি এলাকার একটি নতুন পরিচয় হয়ে উঠতে চলেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুলটির বিধায়ক ডা. অজয় পোদ্দার। তিনি বলেন, কুলটির সার্বিক উন্নয়নে সেল কর্তৃপক্ষের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেল ব্যবস্থাপনার উদ্যোগে চলতি মাসেই স্টেশন রোড থেকে থানা মোড় পর্যন্ত রাস্তার মেরামতির কাজ শুরু হতে চলেছে। এছাড়াও শ্মশানঘাটে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং আগামী দিনে আরও বহু উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে এজিএম এইচআর জেড আদিল শারীরিক সুস্থতা ও বৌদ্ধিক উন্নয়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অরূপ মজুমদার।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেল গ্রোথ ওয়ার্কসের সিজিএম এস ঘোষ, এজিএম এইচআর জেড আদিল, এন ঈশ্বর, এম কে ভাঙরে, আর এস মহাওয়ার, অভিজিৎ বর্মণ, কাশীনাথ কর্মকার, পিপিএস স্কুলের সভাপতি রাকেশ তিওয়ারি, অর্ণব, এম কে রায়, বিরাজ সিং, বিনোদ সিং, মানস মিত্র সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

ghanty

Leave a comment