রানিগঞ্জ:
সনাতন সংস্কৃতির মূল্যবোধ সংরক্ষণ, সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং সাংস্কৃতিক জাগরণকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার রানিগঞ্জ রেলওয়ে গ্রাউন্ডের পবিত্র প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এক বিরাট রানিগঞ্জ হিন্দু সম্মেলন। এই মহাসম্মেলনের মাধ্যমে গোটা এলাকায় সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংহতির এক শক্তিশালী বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।
হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বীর উপস্থিতিতে সম্মেলনটি রূপ নেয় এক ঐতিহাসিক জনসমাবেশে। ধর্মীয় শ্লোগান, ঐক্যের আহ্বান ও সংস্কৃতির গৌরবে মুখর হয়ে ওঠে গোটা রেলওয়ে গ্রাউন্ড।
✨ স্বামী প্রদীপ্তানন্দজি মহারাজের অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ
সম্মেলনের প্রধান বক্তা ছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘ, বেলডাঙা-র সম্মানীয় সভাপতি, সনাতন সংস্কৃতির রক্ষক ও হিন্দু জাগরণের পুরোধা স্বামী প্রদীপ্তানন্দজি মহারাজ (কার্তিক মহারাজ)। তাঁর ওজস্বী বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হন উপস্থিত জনসাধারণ।
তিনি বলেন, “সনাতন সংস্কৃতি কেবল ধর্মীয় আচার নয়, এটি মানবতার ভিত্তি। সমাজে ঐক্য, সেবা ও নৈতিকতা বজায় রাখাই আমাদের প্রধান কর্তব্য।”
তিনি সমাজে সাংস্কৃতিক সচেতনতা, ঐক্যবদ্ধতা ও সেবাভাব আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
🏛️ মঞ্চে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা
এই সম্মেলনে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন—
- রতন কাহার
- সুনীল সোরেন
- রানিগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান বিশ্বরূপ মহারাজা
- সম্পাদক সৌভিক ঘোষ
- যুগ্ম সম্পাদক শুভম রাউত
- মনোজ সরাফ
- দিনবন্ধু যোশী
- রাজেশ কুমার গুপ্ত
- মনোজ রাউত
- লালু শর্মা
সহ আরও বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে সনাতন সংস্কৃতির গৌরবময় ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার উপর বিশেষ জোর দেন।
🌿 শিল্পাঞ্চলে সাংস্কৃতিক নবজাগরণের বার্তা
এই সম্মেলনের মাধ্যমে রানিগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চলে সাংস্কৃতিক নবজাগরণের নতুন স্ফুরণ লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন সমাজে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে এবং নতুন প্রজন্মকে তাদের সনাতন সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করে।
সার্বিকভাবে, এই হিন্দু সম্মেলনকে রানিগঞ্জ ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।











