আসানসোল :
সারা দেশে ক্রমবর্ধমান গাইনোকোলজিক্যাল ক্যান্সার এবং জটিল স্নায়বিক রোগের প্রেক্ষিতে আসানসোলে এক গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক উদ্যোগ নিল মণিপাল হাসপাতাল। হাসপাতালের রোগী-শিক্ষামূলক কর্মসূচি ‘অন্বেষণ – মেডিক্যাল এডুকেশন ফর মিডিয়া’-র আওতায় একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ মিডিয়া অ্যাওয়ারনেস সেশনের আয়োজন করা হয়।
এই সেশনে রোগের পরিবর্তিত ধরণ, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা পদ্ধতিতে সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সময়মতো রোগ নির্ণয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন ডা. অরুণাভ রায়, কনসালট্যান্ট – গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি এবং ডা. সুন্দরম বসু, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরো-সার্জারি। বিশেষজ্ঞরা জানান, সময়মতো রোগ নির্ণয়, মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি চিকিৎসা পদ্ধতি এবং আধুনিক সার্জিক্যাল প্রযুক্তির প্রাপ্যতা রোগীদের বেঁচে থাকার হার ও জীবনমান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে।
নারীদের ক্যান্সার ও স্নায়বিক রোগে উদ্বেগ বাড়ছে
আলোচনায় নারীদের বিভিন্ন ক্যান্সার, ব্রেন টিউমার, স্পাইনাল সমস্যার পাশাপাশি স্ট্রোকজনিত জটিলতা ও ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরির মতো গুরুতর স্নায়বিক রোগের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতার অভাব এবং উপসর্গকে গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে বহু রোগী খুব দেরিতে চিকিৎসার জন্য আসেন। ফলে রোগ যখন শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন চিকিৎসা হয়ে ওঠে অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ।
আধুনিক প্রযুক্তি ও দলগত চিকিৎসায় আশার আলো
ডাক্তাররা জানান, বর্তমানে উন্নত ইমেজিং প্রযুক্তি, অত্যাধুনিক নিউরো-সার্জারি, মিনিমালি ইনভেসিভ পদ্ধতি এবং মাল্টি-স্পেশালিটি মেডিক্যাল টিমের মাধ্যমে চিকিৎসার ফলাফল অনেক বেশি ইতিবাচক হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের শেষে মণিপাল হাসপাতালের পক্ষ থেকে বলা হয়, সঠিক সময়ে পরীক্ষা, যথাযথ তথ্য এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাই এই ধরনের মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।











