ঝাড়খণ্ড থেকে অবৈধ কয়লা পরিবহণ, দামাগোরিয়া সূত্রে নাম উঠে এল ‘খুকু’

single balaji

আসানসোল:
বরাকরের দামাগোরিয়া ওসিপি এলাকায় ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন সামনে আসতে শুরু করেছে। এই ঘটনার পর থেকেই একটি নাম দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে—খুকু। স্থানীয় স্তরে দাবি করা হচ্ছে, খুকুর নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় একটি কয়লা সিন্ডিকেট সক্রিয়, যা অবৈধ কয়লা কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই কথিত সিন্ডিকেট কেবল দামাগোরিয়া ওসিপি এলাকাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ঝাড়খণ্ড থেকে কয়লাবোঝাই ট্রাক ও গাড়ির অবৈধ পরিবহণেও দীর্ঘদিন ধরে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দুর্ঘটনার পরও এলাকায় জোরালো গুঞ্জন, এই অবৈধ নেটওয়ার্কের কার্যকলাপ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

🗣️ রাজনৈতিক মহলেও আলোড়ন

দুর্ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মী সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন, যেখানে খুকুর পাশাপাশি একজন পুলিশ আধিকারিকের নামও উল্লেখ করা হয়েছিল। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই পোস্টটি মুছে ফেলা হয়। এই ঘটনায় প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হয়েছে—তবে কি চাপের মুখেই পোস্টটি সরানো হয়?

❓ উঠছে একের পর এক প্রশ্ন

এই দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে এখন এলাকাজুড়ে কয়েকটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—

  • আসলে খুকু কে?
  • কথিত কয়লা সিন্ডিকেট কার ছত্রচ্ছায়ায় চলছে?
  • ঝাড়খণ্ড থেকে কয়লা পরিবহণে কারা জড়িত?
  • এবং দুর্ঘটনার পরও অবৈধ কারবার চালু থাকার দাবি কতটা সত্য?

🚨 প্রশাসনের নীরবতা

এই মুহূর্তে এই সমস্ত অভিযোগ ও দাবির কোনো সরকারি স্বীকৃতি নেই। প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষ থেকে খুকু বা কোনো কয়লা সিন্ডিকেট নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে দুর্ঘটনার পর যেভাবে একের পর এক নাম সামনে আসছে এবং সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা তীব্র হচ্ছে, তাতে স্পষ্ট যে বিষয়টি আর শুধু একটি দুর্ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

অনেকের মতে, এই ঘটনা অবৈধ কয়লা ব্যবসা এবং কথিত রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পৃষ্ঠপোষকতার দিকেও ইঙ্গিত করছে। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন এই অভিযোগগুলিকে কতটা গুরুত্ব দেয় এবং আদৌ কি কয়লা সিন্ডিকেটের কথিত নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ghanty

Leave a comment