আসানসোল-সালানপুর:
রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির বিডিও অফিস সংলগ্ন ডায়মন্ড পার্কের একটি বন্ধ আবাসনে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই চুরির ঘটনা মঙ্গলবার সকালে প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির পুলিশ।
🔍 পরিবার জামশেদপুরে, চাবি বন্ধুর কাছে—ফিরে এসে দেখলেন বাড়ি প্রায় ফাঁকা!
আবাসন মালিক অমিত কুমার জানান, দাদুর মৃত্যুসংবাদে সপরিবারে ১৪ নভেম্বর জামশেদপুর যান। যাওয়ার আগে তিনি বাড়ির চাবি তুলে দেন অঙ্কিত নামে এক বন্ধুর হাতে।
অমিতের দাবি—সেই রাতে কয়েকজন বন্ধু তাদের আবাসনে পার্টিও করেছিলেন।
🎥 সিসিটিভি বন্ধ, পরে চালু… কিন্তু ফুটেজ নেই! ক্যামেরা ঢাকা কাপড় দিয়ে
১৫ নভেম্বর ভোরে বন্ধুরা ভুলবশত সিসিটিভির সুইচ অফ করে চলে যান।
অমিত দূর থেকে মোবাইলে দেখেন ক্যামেরা বন্ধ।
ফোনে বলা মাত্র ক্যামেরা আবার চালু হয়, তখনও কোনো অনিয়ম চোখে পড়েনি।
কিন্তু সোমবার সকালে দেখা যায়—
✔ ক্যামেরা চালু
❌ কিন্তু কোনও ভিডিও নেই!
পরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে এসে পুরো আবাসন ঘুরে দেখা যায়—
👉 সিসিটিভি ক্যামেরাগুলির ওপর কাপড় চাপানো।
তারপরই বাড়ির প্রধান দরজা খুলতেই দেখা গেল—
ঘরের ভিতর তছনছ, মূল্যবান সামগ্রী উধাও।

🔐 তালা অক্ষত, জানালা অক্ষত—চোর ঢুকল কীভাবে? রহস্যে বাড়ছে প্রশ্ন
অমিত জানান—
বাইরের দরজা বা জানালা কোথাও ভাঙা হয়নি।
তবে—
👉 ব্যালকনির একটি ঘরের দরজার ভিতরের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।
এতেই তার সন্দেহ আরও গভীর হয়।
তার দাবি—
“আমার পরিচিত কেউ বা কারা এই চুরির সঙ্গে জড়িত। বাইরে থেকে ঢোকার কোনো চিহ্ন নেই।”
💰 ১৮ লক্ষ টাকার মালামাল উধাও—সোনা–রূপা–নগদ সবই নিয়ে গেল চোরেরা
অমিতের বক্তব্য—
- ১৬ লক্ষ টাকার সোনা ও রুপোর গয়না
- ২ লক্ষ টাকা নগদ
সবই চুরি হয়েছে।
পুলিশ এসে প্রাথমিকভাবে সবকিছু খতিয়ে দেখেছে। অমিতের আবেদন—
“সঠিকভাবে তদন্ত হোক, যাতে চোর ধরা পড়ে এবং সব উদ্ধার হয়।”
🚓 পুলিশ একাধিক দিক ধরে তদন্তে নেমেছে, বন্ধুর ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে
সূত্রের খবর—
✔ সিসিটিভি ঢেকে দেওয়া,
✔ ভিতর থেকে দরজা ভেঙে থাকা,
✔ চাবি বন্ধুর কাছে থাকা—
এই তিন বিষয়কে কেন্দ্র করে পুলিশ ইনসাইডার অ্যাংলকেই প্রধান সূত্র ধরে তদন্ত করছে।
এলাকার বাসিন্দাদের দাবি—ডায়মন্ড পার্কে এত সাইলেন্ট চুরি এর আগে কখনও দেখা যায়নি।











