কলকাতা: শুক্রবার সকাল সাতটার সময় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা Enforcement Directorate (ED) কলকাতার বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে। প্রথম রেডিট সাউথ দমদম এলাকায় এক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে শুরু হয়। এই অভিযানে মূলত অতীতের একটি ২০১৫ সালের মানবপাচার মামলার অংশ বলে পরিচিত—যাতে সন্দেহ করা হচ্ছে অর্থ পাচার ও গোপন লেনদেনের।
রবিবার সকালে সাউথ দমদম-এর ওই ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি ঘিরে রাখা হয়। ওই সঙ্গে উত্তর কলকাতার এক হোটেল মালিকের বাড়িতেও রেডি যায়। জানা গেছে, ইডি কলকাতা–বিধাননগর ও শিলিগুড়ির অন্তত আটটি ঠিকানায় তল্লাশি চালাচ্ছে।
এই অভিযান মাত্র কলকাতাতেই সীমাবদ্ধ নয়। মুখ্য মহল জানাচ্ছে, সিঙ্গাপুর–দুবাই–হাওয়ালা চ্যানেলের সম্ভাব্য লেনদেন নিয়ে দিল্লি ও গোয়া–তেও তল্লাশি চলছে।
ED–র এক আধিকারিক জানিয়েছেন,
“এই অভিযান শুধুই এক জায়গার জন্য নয়—একটি সংগঠিত মানবপাচার ও জোরপূর্বক দেহব্যবসার জালিয়াতির অর্থ লেনদেনের অনুসন্ধান চলছে।”
⚠️ বিশেষ দৃষ্টিকোণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
- এই ধরনের অভিযান সাধারণত নির্বাচনকালের আগে শুরু হলে রাজনৈতিক সংযোগের গুঞ্জন হয়—ED–র অভিযানে যেহেতু বিভিন্ন রাজ্যের বড় সংখ্যক ঠিকানায় হানা দেওয়া হয়েছে, তাই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “এটি শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় না, হয়তো রাজনৈতিক ক্ল্যাশেরও অংশ হতে পারে।”
- মানবপাচার ও দেহব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে হুংকার হিসেবে নিয়েছে—জনসাধারণের দৃষ্টিতে এটা বড় সিগন্যাল হতে পারে।
- তবে অভিযানের সময়, জায়গা–ঠিকানা গোপন রাখা হওয়ায় অনেকেই বলছেন—“বড় লুকোচুরি হয় কি না?”, “দেখা যাবে কি শুধু নিচু স্তর নয় বড় ষড়যন্ত্রকারীদেরও দায়ের দিক।”
🔍 পাঠকদের জন্য সংক্ষেপে:
এই অভিযান যে শুধু কলকাতার একটি ঘটনা নয়—বরং সারাদেশে অর্থ পাচার ও মানবপাচার নেটওয়ার্ক ভেদ করার চেষ্টা বলেই মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষদের নজর এখন মূলত দুই দিকে:
- কি দ্রুত বিষয়টি অগ্রহবৎ হবে—অর্থাৎ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দ্রুত থানা হবে কি না?
- কি এই অভিযান থেকে রাজনৈতিক প্রভাব, ভোটকালীন রণনীতি বা বড় রাজনৈতিক চক্রের খোলস বের হবে?
⚠️ নোট: অভিযানের প্রকৃত বিবরণ ও অভিযুক্তের নাম এখনও প্রকাশ হয়নি—তাই তথ্য অনুসন্ধানাধীন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মন্তব্য অপেক্ষায়।











