বাংলা তথা বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো এখন একেবারে দোরগোড়ায়। রবিবার মহালয়ার মাধ্যমে দেবীপক্ষের সূচনা হতেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল ও দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে পুজোমণ্ডপগুলির উদ্বোধনী উৎসব শুরু হয়েছে। মণ্ডপে মণ্ডপে জমেছে আলোর রোশনাই, ঢাকের বাদ্যি আর ভক্তির সুর।
১৪টি পূজোমণ্ডপের একসঙ্গে উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী
এদিন সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আসানসোল ও দুর্গাপুর মিলিয়ে মোট ১৪টি পূজোমণ্ডপের উদ্বোধন করেন। তাঁর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছিলেন জেলার পুজো উদ্যোক্তারা। এর মধ্যে রয়েছে আসানসোলের আপকার গার্ডেন দুর্গাপূজা কমিটি, সার্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা ও লক্ষ্মী পূজা কমিটি, ডোবরানা সুভাষপল্লী, সাহেবগঞ্জ দুর্গাপূজা কমিটি, কল্যাণপুর আদি পূজা, কল্যাণপুর সেক্টর পূজা, আসানসোল রবীন্দ্রনগর উন্নয়ন সমিতি, ভানোড়া কোলিয়ারি পূজা ইত্যাদি।
উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিরা
আসানসোলের আপকার গার্ডেন পূজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আইন ও শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটক, পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী এবং জেলা শাসক পোন্নাবালাম এস। একইদিনে বারাবনি বিধানসভার সালানপুর ব্লকের পিঠাকেয়ারির পূজোর উদ্বোধনে হাজির ছিলেন বিধায়ক তথা আসানসোল পুরনিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায়, ডিসিপি (পশ্চিম) সন্দীপ কাররা, পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মহঃ আরমান এবং স্থানীয় পূজা উদ্যোক্তারা।
পুজো মানে শুধু ধর্ম নয়, সংস্কৃতির উৎসবও
প্রতিটি পুজোমণ্ডপেই চলছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মহড়া, নিরাপত্তা ও ট্র্যাফিক ব্যবস্থার প্রস্তুতি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, সিসিটিভি ও ব্যারিকেডিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা
উদ্বোধনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দুর্গাপুজো বাঙালির প্রাণের উৎসব। সকলের সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রেখেই এই উৎসব উদযাপন করুন।”











