নয়াদিল্লি: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে নয়াদিল্লির দ্বারকা রেডিসন ব্লু হোটেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট মিডিয়া পার্সোনালিটি ও সমাজকর্মী সঞ্জয় সিনহা-কে ন্যাশনাল হিউম্যানিটারিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-এ ভূষিত করা হয়েছে। এ আয়োজনটি ছিল “আই ক্যান ফাউন্ডেশন”-এর উদ্যোগে।
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রী সন্তোষ বাগরোদিয়া স্বীকৃতিস্বরূপ সঞ্জয় সিনহাকে সম্মানপত্র, পদক ও উত্তরীয় প্রদান করেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ওএনজিসি-র প্রাক্তন ডিরেক্টর ড. জৌহরি লাল এবং “আই ক্যান ফাউন্ডেশন”-এর জাতীয় সভাপতি গৌরব গৌতম।
সন্তোষ বাগরোদিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন— “খুব ছোট পরিসর থেকে সমাজসেবার কাজ শুরু করেছিলেন সঞ্জয় সিনহা। আজ তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে মানবতার এক গর্বিত প্রতিনিধি। নিঃস্বার্থভাবে মানবাধিকার রক্ষায় তাঁর কাজ দেশবাসীর কাছে অনুকরণীয়।”
সম্মান গ্রহণের সময় আবেগপ্রবণ সঞ্জয় সিনহা বলেন— “আজ আন্তর্জাতিক স্তরে সম্মানিত হলেও, আমার কাছে ভারতই সর্বশ্রেষ্ঠ। আমি ভারতের সন্তান, আর ভারতের জন্যই সর্বান্তকরণে কাজ করতে চাই।”
আই ক্যান ফাউন্ডেশনের সভাপতি গৌরব গৌতম মন্তব্য করেন— “পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য গত ১৫ বছর ধরে সঞ্জয় সিনহার অক্লান্ত সমাজসেবা তাঁকে এই সম্মানের যোগ্য করে তুলেছে। নারীশক্তি জাগরণ, রাস্তার শিশুদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা—এ ধরনের কার্যক্রম তাঁকে বিশেষভাবে আলাদা করে তুলেছে।”
উল্লেখযোগ্য যে, সঞ্জয় সিনহা বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল ইকুইটেবল হিউম্যান রাইটস সোশ্যাল কাউন্সিল-এর আন্তর্জাতিক চেয়ারম্যান, ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া ফোরাম-এর চেয়ারম্যান এবং গ্লোবাল কায়স্থ কনফারেন্স-এর জাতীয় সম্পাদক। মানবাধিকার, নারীশক্তি ও সাধারণ মানুষকে শিক্ষায়-চাকরিতে যুক্ত করার উদ্যোগে তিনি ইতিমধ্যেই বহু আন্তর্জাতিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।
তবে বহু সম্মানের মাঝেও তিনি সাদামাটা জীবনযাপন করেন এবং প্রতিদিন গ্রাউন্ড লেভেলেই মানুষের পাশে দাঁড়ান। তাঁর এই নীরব অথচ দৃঢ় সংগ্রামই আজ তাঁকে দেশের অন্যতম মানবতার মুখপাত্রে পরিণত করেছে।











