ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে যখন এক চারচাকার গাড়িচালক বাজারে কাজ সেরে প্রায় ৫০ মিনিট পর পার্কিং থেকে গাড়ি তুলতে আসেন। তখন পার্কিং কর্মী দাবি করে, “আপনার গাড়ি এখানে ২ ঘণ্টা ছিল, তাই ৫০ টাকা লাগবে।” চালক প্রতিবাদ করলে, কর্মী হঠাৎ বলেন, “তাহলে ১ ঘণ্টার জন্য ৩০ টাকা দিন।” অথচ হাতে থাকা রসিদে স্পষ্ট লেখা, তিন ঘণ্টার পার্কিং চার্জ মাত্র ২০ টাকা!
অভিযোগ, শুধু মুখে অতিরিক্ত টাকা দাবি নয়, মূল রসিদে ২০ টাকার জায়গায় কলম দিয়ে ৩০ টাকা লিখে দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় আবার রসিদই দেওয়া হয় না, অজুহাত দেখানো হয়—“প্রিন্ট হয়নি।” এর ফলে সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না আসল পার্কিং চার্জ কত।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দাবি, এই অবৈধ টাকা আদায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে। কেউ প্রতিবাদ করলেই পার্কিং কর্মীরা অশালীন আচরণ করছে। শুধু বাজারের মূল পার্কিং নয়, পাশের গলিগুলোতেও এভাবে গাড়ি দাঁড় করালেই টাকা তোলা হচ্ছে, অথচ কোনও সরকারি বোর্ড বা নির্দিষ্ট চার্জ তালিকা নেই।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ক্ষুব্ধ গাড়িচালকরা। অনেকের মতে, এই পুরো ঘটনাটি একটি ‘পার্কিং মাফিয়া’ চক্রের অংশ, যারা জনসাধারণকে ঠকিয়ে টাকা কামাচ্ছে।











